কর্ণফুলীর প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু
বিশেষ প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম কর্ণফুলী উপজেলার ৬৩ বছর বয়সি প্রথম মহিলা করোনা রোগীটির মৃত্যু হয়েছে।
আজ ১১ মে রাত ৭টা ৩০ মিনিটের সময় নগরীর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ দিনের মাথায় ওনি মৃত্যু বরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন..।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি ও জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তাফা জামাল।
এছাড়াও খবরটি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নোমান হোসেন, কর্ণফুলী থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন ও করোনা রোগীর ছেলে মো. শহীদ।
ইউএনও মো. নোমান হোসেন জানান, চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানানোর পর লাশের দাফনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে উপজেলা প্রশাসন।
জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তাফা জামাল জানান, রোগীটি হাসপাতালের ভর্তি করা হয় গত ২৮শে এপ্রিল। ওনি আগে থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিল। জেনারেল হাসপাতালে ওনাকে ৪বার ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু ১৩ দিন পর আজ রাত ৭টা ৩০ মিনিটে মহিলার মৃত্যু হয়।
এর আগে ওই মহিলা ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওখানে থাকা অবস্থায় নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে করোনা সনাক্ত হন।
করোনা রোগে মৃত ব্যক্তির দাফন বা সৎকারসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনায় এমন সতর্কতার কথা বলা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রটোকল নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বা সন্দেহভাজন কেউ মারা গেলে মৃতদেহ সরানো, সৎকার বা দাফন শুরুর আগে অবশ্যই সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (আইইডিসিআর) জানাতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির নির্দেশনা অনুযায়ী, চার সদস্যের একটি দল সম্পূর্ণ সুরক্ষা পোশাক পরে মৃতদেহ সৎকার বা দাফনের জন্য প্রস্তুত করবে। মৃত্যুর স্থানেই মৃতদেহ প্লাস্টিকের কাভার দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে। দলের নেতা মৃত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের নির্দিষ্ট কোনো অনুরোধ থাকলে তা জেনে নেবেন। কোথায় কবর দেওয়া হবে, সেটিও ঠিক করে রাখতে হবে।