চট্টগ্রামে আজাদ হত্যার মামলার মূল হোতাসহ আটক ২
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন নয়া বাজার বিশ্বরোড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ জেরে আজাদ হত্যা মামলার মূল হোতা আবুল হাসনাত রাজু (৩৪) ও ওসমান (৩৫) সহ দুই জনকে আটক করেছে নগর গোয়েন্দা (পশ্চিম) এর একটি দল।
রোববার (৪ জুন) দিবাগত রাত খুলনা জেলার পাঁইকগাছা থানাধীন ষোলাদানা ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করে এবং পরে তাদের চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন নয়া বাজার বিশ্বরোড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ জেরে গত ২৮ মে আজাদুর রহমান নামের এক যুবককে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ঘটনার পর হতে এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামীরা চট্টগ্রাম মহানগর হতে পালিয়ে গিয়ে গা ঢাকা দেয়। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনায় সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা মামলা করা হলে মামলাটি তদন্তের জন্য ডিবি (পশ্চিম)’কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে আসামীদের গ্রেফতারের জন্য ডিবি পশ্চিম বিভাগের একটি টিম মাঠে নামে। ডিবি পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আসামীদের অবস্থান নিশ্চিত হয় এবং উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-বন্দর ও পশ্চিম) মোহাম্মদ আলী হোসেনের সার্বিক তত্বাবধানে এবং অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সামীম কবির এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার কাজী মোঃ তারেক আজিজ এর নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক রমিজ আহমদ, এসআই মোহাম্মদ রাজীব হোসেন, এসআই মোঃ রবিউল ইসলাম, এএসআই মোঃ নুরুন্নবী মুন্না ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ খুলনা জেলার পাইকগাছা থানাধীন শোলাদানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম মহানগরের পাহাড়তলী আজাদ হত্যার মূলহোতা আবুল হাসনাত রাজু ও ওসমানকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে চট্টগ্রামে অভিযান পরিচালনা করে আসামী আবুল হাসনাত রাজু ও ওসমান এর দেখানো ও সনাক্ত মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ২ টি ছোরা উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম আজাদের সাথে স্থানীয় নয়া বাজার বিশ্বরোড এলাকার চাঁদা আদায়ের বিষয় নিয়ে আটক আবুল হাসনাত রাজু এবং ওসমান এর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ মে ভোর সাড়ে ৪ টায় আজাদ তার বাসার গলির সামনে নয়াবাজার রোডে আসলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা আবুল হাসনাত রাজু এবং ওসমান তাদের অপর সহযোগিদের নিয়ে ভিকটিম আজাদকে এলোপাতাড়ি ছুরি মেরে মারাত্মক আহত করে। পরবর্তীতে মেডিকেলে নেওয়ার পথে আজাদ মারা যান।