‘‌‌চট্টগ্রাম নিউজ’ এ সংবাদ প্রকাশ অত:পর লামার ধুইল্যাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন


জসিম উদ্দিন, লামা প্রতিনিধি।

গত বছর ডিসেম্বরে বান্দরবান  পার্বত্য জেলার লামা উপজেলার দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নানান সমস্যা ও জাতীয়করণ না হওয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গত ৭ নভেম্বর ২০২৯ ইং তারিখে  চট্টগ্রাম নিউজে সংবাদ প্রচারের পর অবকাঠামোগত ও আসবাবপত্রের উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়।

ধুইল্যাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ চলছে

পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী মহোদয় ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আন্তরিকতায় লামা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে  চেয়ারম্যান মোস্তফা জামালের সহযোগিতায় একটি শ্রেণি কক্ষ ও বান্দরবান জেলা পরিষদের অর্থায়নে জেলা পরিষদ সদস্য ফাতেমা পারুলের সহযোগিতা এবং লামা উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি  বাবু বিজয় আইচ ও কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক  ইদ্রিস কোম্পানির প্রচেষ্টায় স্কুলের জন্যে ৩১৮ ফুট দৈর্ঘ্যের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের বরাদ্দ পায়। যা এখন নির্মাণাধীন বলে জানা যায়।

পরে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরুে জান্নাত রুমির সহযোগিতায় আসবাবপত্র বরাদ্দ পায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, ‘চট্টগ্রাম নিউজ’ অনলাইন পোর্টাল এ আমাদের স্কুলের সমস্যা কথা তুলে ধরার কারণে এই উন্নয়ন বরাদ্দ পায়। তাই আমি স্কুল পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবক মহলের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম নিউজ অনলাইন পোর্টাল  কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। একই সাথে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী  ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ যাদের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় উন্নয়ন হয়েছে বা হচ্ছে তাদের  সকলকেও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ধুইল্যাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারী দেয়ালের উন্নয়ন কাজ চলছে

তিনি আরও বলেন, স্কুলটি এখনো জাতীয়করণের আওতায় না আসার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের দুঃখ দুর্দশা এখনো লাগব হয়নি। তাই আমি  স্কুলটি জাতীয়করণের ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর, পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রী মহোদয়ের সহযোগিতা কমনা করছি এবং স্কুলের বাকী বাউন্ডারি ওয়াল এবং একটি ভবনের জন্য মাননীয় বান্দরবান  পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

উল্লেখ্য যে, বিদ্যলয়টি ১৯৯৮ ইং সালে স্থানীয় এক কৃষকের ৪০ শতক জমির উপর অবস্থিত। যা সরই ইউনিয়নের তৎকালীন  চেয়ারম্যান  মোহাম্মদ  আলীর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.