বাঁশখালীতে বিনা অনুমতিতে হলে প্রবেশ, শিক্ষকসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা
বাঁশখালীতে মাধ্যমিক পরীক্ষার (এসএসসি) হলে এক শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের স্থলে অপর এক ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করায ও বিনা অনুমতি নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশের অভিযোগে কাঞ্চন দে (২৭) নামের এক ব্যক্তিকে জেলে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল রবিবার দুপুরের দিকে বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শিবানন্দ দেব (৩৬) নামের এক শিক্ষকের স্থলে কাঞ্চন দে পরীক্ষার কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাঞ্চন দে কোন বিদ্যালয়ের শিক্ষক না হলেও ব্যক্তিগতভাবে তিনি পৌর এলাকার উত্তর জলদিতে একটি কোচিং সেন্টার চালান। দুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিত্র সেন বড়ুয়া।
তাঁকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদ মাঠে জড়ো হয় গ্রেপ্তার হওয়া কাঞ্চন দের কোচিং সেন্টারের ছাত্রছাত্রীরা।
খবর নিয়ে জানা যায়, বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিবানন্দ দেব নামের এক শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের কথা ছিল। কিন্তু তাঁর অসুস্থতার কারণে তিনি কাঞ্চন দেকে তাঁর দায়িত্ব পালন করতে বলেন।
গতকাল সকালে মাধ্যমিকের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা চলাকালীন সময় বিষয়টি অন্য শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল বশিরুল ইসলাম কাঞ্চন দে কে পুলিশের সাহায্যে গ্রেপ্তার করে থানায় পাঠিয়ে দেন।
গ্রেপ্তার কাঞ্চন দে জানান, বাহারছড়া রত্নপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিবানন্দ দেব অসুস্থতার কথা বললে আমি তার পক্ষ হয়ে পরীক্ষার হলে দায়িত্ব পালন করতে আসি। আমি কখনো কোন স্কুলের শিক্ষক নই। আমি একটা কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করি।
এ বিষয়ে বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিত্র সেন বড়ুয়া বলেন, বিষয়টি আমাকে কেউ জানায়নি। আর এ রকম করা অনৈতিক। সে কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল বশিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হই। এরপর কাঞ্চন দেকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় পাঠানো হয়।