লকডাউন বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ঘোষিত দুই সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের বিধি-নিষেধ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
রোববার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ না মানায় বিভিন্ন দোকান, রেস্টুরেন্ট এবং শপিং মলে অভিযান পরিচালনা করে মোট ৭৬ মামলায় ৩০ হাজার ৬’শ টাকা অর্থদন্ড আদায় করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে সচেতন করা হয়।
এসময় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোজাম্মেল হক চৌধুরী ডবলমুরিং এলাকায় ৮টি মামলায় ৬ হাজার টাকা, চান্দগাঁও ও পাচলাইশ এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী ৮টি মামলায় ৬’শ টাকা, পতেঙ্গা, বন্দর ও ইপিজেড এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা জান্নাত ৪টি মামলায় ৬’শ টাকা, চকবাজার এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশরাফুল আলম ৮টি মামলায় ৪ হাজার ৩’শ টাকা, ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী পাচলাইশ এলাকায় ১টি মামলায় ২’শ টাকা, খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাজিব হোসেন ৮টি মামলায় ২ হাজার ৩’শ টাকা, কোতোয়ালি ও সদরঘাট এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা ৫টি মামলায় ২ হাজার ১’শ টাকা, ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন পাহাড়তলি ও আকবরশাহ এলাকায় ৫টি মামলায় ১ হাজার ৫’শ টাকা, ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান পতেঙ্গা ও ইপিজেড এলাকায় ৪টি মামলায় ৩ হাজার টাকা, খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা সারমিন ৬টি মামলায় ৮’শ টাকা অর্থদন্ড আদায় করেন।
এছাড়া হালিশহর ও মুরাদপুর এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস ১টি মামলায় ১ হাজার টাকা, আকবরশাহ এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত ৬টি মামলায় ৩ হাজার ৩’শ টাকা,
পাহাড়তলী ও আকবরশাহ এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট হুসাইন মুহাম্মাদ ৩টি মামলায় ৯’শ টাকা, এবং কোতোয়ালি ও সদরঘাট এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন ৪টি মামলায় ২ হাজার ৪’শ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।