অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি হিমশিম খাচ্ছে গুদাম ভাড়া পরিশোধে


খোকন মজুমদার রাজীবঃ স্বাস্থ্য বিধি মেনে সীমিত পরিসরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চালু করার দাবী জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন
চট্টগ্রাম প্রফেশনাল স্টেইজ পারফর্মার অ্যান্ড সাউন্ড লাইটিং ফোরাম(cpspslf)।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

চট্টগ্রাম মঞ্চ সংগীত শিল্পী সংস্থা, চট্টগ্রাম সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ী কল্যাণ সংস্থা, চট্টগ্রাম মহানগর আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জা ব্যবসায়ী সমিতি এবং চট্টগ্রাম মঞ্চ নৃত্যশিল্পী কল্যাণ সংস্থা (চট্টগ্রাম প্রফেশনাল স্টেইজ পারফর্মার এন্ড সাউন্ড লাইটিং ফোরাম) এর সমন্বয়ে গঠিত ফোরামের সভাপতি সংগীতশিল্পী আলাউদ্দিন তাহের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবের পর গত মার্চ মাস থেকে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে সব ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ রয়েছে যার ফলে ফোরামের প্রায় ১০ হাজার সদস্য ও তাদের পরিবার উপার্জন না থাকায় কষ্টে আছে।মহামারী করোনার শুরু থেকেই চট্টগ্রাম প্রফেশনাল স্টেইজ পারফর্মার এন্ড সাউন্ড লাইটিং ফোরাম কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দরা সরকারি নির্দেশনা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রীশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, শব্দযন্ত্র নিয়ন্ত্রক সহ গরীব অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মাঝে উপহার হিসেবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও নগদ অর্থ প্রদান করে আসছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

এসময় তিনি আরও বলেন, সাউন্ড সিস্টেম ও লাইটিং ব্যবসায়ীরা অনেকে ব্যাংক লোন নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন।অনুষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে কোটি টাকা দামের সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা ও লাইটিং সামগ্রী ব্যবহার না হওয়ার কারণে নষ্ট হতে চলেছে এসব মানলাম গুলো।অনুষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে আয় না থাকায় তারা ব্যাংক লোন পরিশোধ করতে পারছেন না। পাশাপাশি এসব মালামাল রাখার জন্য যেসব গুদাম মাসিক ভাড়া হিসেবে নেওয়া হয়েছে, সে সব গুদামের ভাড়া পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এসব ব্যবসায়ীদের।

সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কাজী রবিউল হোসেন বলেন, করোনার শুরু থেকেই সংগঠনের পক্ষ থেকে কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রীশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সাউন্ড ব্যালেন্সার, সাউন্ড ক্রু সহ সংশ্লিষ্টদের মাঝে খাদ্যদ্রব্য ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই সহায়তা কার্যক্রমও চালানো যাচ্ছে না। পারিবারিক খরচ ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমরা কর্ম করে বাঁচতে চাই। সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চালু করতে চাই। এজন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম প্রফেশনাল স্টেইজ পারফর্মার অ্যান্ড সাউন্ড লাইটিং ফোরামের সিনিয়র সহ সভাপতি ফণী ভূষণ দেব, সহ সভাপতি সুশান্ত দত্ত, সহ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল আযম চৌধুরী টিপু, সহ সাধারণ সম্পাদক টিসু পালিত, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদাত আনোয়ার, অর্থ সম্পাদক রায়হান কাদীর চৌধুরী, সহ অর্থ সম্পাদক সুজিত চৌধুরী, দপ্তর-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাজী জাহিদ উদ্দীন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক অজয় চক্রবর্ত্তী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন সম্পাদক রুমেন চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট মো. কাইছার উদ্দীন ও বাহার মজুমদার।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.