উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশ-সন্ত্রাসী গুলি বিনিময় আটক ৪
কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ও পুলিশের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।আটককৃত সন্ত্রাসীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা কে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে ক্যাম্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরী অস্ত্র সহ চার সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে। এ ব্যাপারে উখিয়ার কুতুপালং মধুর ছড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ -পরিদর্শক মো:মোবারক হোসেন বাদী মঙ্গলবার উখিয়া থানায় অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের দায়ে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার ভোর রাতে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প ৬ ও ৩ এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একদল সন্ত্রাসীরা রোহিঙ্গা যুবক খালেদ কে অপহরন করে নিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে সন্ত্রাসীদের আস্তনা থেকে অপহৃত খালেদ কে উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা তাকে পুলিশের হাত ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশ কে লক্ষ্য করে ফাঁকা গুলি ছুড়লে পুলিশ আত্মরক্ষার্তে গুলি বর্ষন করেন। উভয় পক্ষের মধ্যে ১৫/২০ গুলি বিনিময় হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। এ সময় রোহিঙ্গাদের হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। আহতরা হলেন উখিয়া থানার উপ -পরির্দশক ছিম্পু বড়ুয়া, ক:শাহীন আহমেদ, তানভীর ছোটন। আহতদের উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে চার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আটক করেন। তারা হলেন উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প -৬ এর মৃত দলিলুর রহমানের ছেলে সৈয়দ নুর (৪২), একই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুরুল ইসলামের স্ত্রী নুর নাহার (৪৫),উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুর ইসলামের ছেলে মো:আনিস (২৫) ও তার স্ত্রী খালেদা বেগম (২০)।
পরে সন্ত্রাসীদের স্বীকারোক্তিতে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি মর্জিয়া আক্তার মর্জু স্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় ২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।