প্রবাসীর ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আত্নসাৎ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
জমিক্রয় করিয়ে দেওয়ার নামে বিভিন্ন ভাবে এক ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আত্নসাৎ করে উল্টো ভুক্তভোগীকে হুমকি ধামকি, হামলা ও মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগে মোঃ গিয়াস উদ্দিন, মোঃ আলমগীর ও মোঃ দিদারুল আলম নামের তিন প্রতারকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী মোঃ জামাল উদ্দিন।
শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামাল উদ্দিনের পক্ষে তার ছেলে মোঃ জমির উদ্দিন।
ভুক্তভোগী জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম চন্দনাইশ থানার, দোহাজারীর, চাগাচর গ্রামের, মৃত আসহাব মিয়ার ছেলে। বর্তমানে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন, দেওয়ান বাজার ডিসি রোড এলাকার নিরাপদ হাউজিং সোসাইটি ১ এ বসবাস করেন। গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়ম নগরের মৌলভী পাড়ার হামিদ শরীফের ছেলে। বর্তমানে বাকলিয়া থানাধীন, রাহাত্তারপোল এলাকার ডিস মোর্শেদের ভাড়া বাসায় থাকেন। মোঃ আলমগীর, নগরীর বাকলিয়া থানাধীন, চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার আইনের বাপের বাড়ির হাজী ইয়াকুবের ছেলে এবং মোঃ দিদারুল আলম, নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন, কোরবাণীগঞ্জ এলাকার, হাজী মকবুল আলী সওদাগরের বাড়ির, মোঃ আবুল কাশেমের ছেলে।
লিখিত বক্তব্যে জমির উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ ১৯ বছর প্রবাসে থাকা অবস্থায় নগরীর টেরিবাজারস্থ একটি পাইকারি কাপড়ের দোকান ক্রয় করে তার নিযুক্তনীয় ব্যক্তির মধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন এবং ২০১১ সালে প্রবাস থেকে দেশে ফিরে এসে টেরিবাজার নিজেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন জামাল উদ্দিন। ব্যবসা করা অবস্থায় প্রতারক গিয়াস উদ্দিনের সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে গিয়াস তার সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে সম্পর্ক গভীর হলে বিদেশ না গিয়ে বাংলাদেশে থেকে কর্ম জীবনের পাশাপাশি মানব কল্যাণে অসহায়দের জন্য একটি অনাথ আশ্রম প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনার কথা জামাল গিয়াসকে জানাই। পরিকল্পনার কথা শুনে গিয়াস জামালকে বলে, আমি ২৭/২৮ বছর ধরে জায়গা জমির ব্যবসা করে আসছি। আপনি যদি দোকান বিক্রি করে জমির ব্যবসা করেন তাহলে দুই বছরে আপনার স্বপ্ন পূরণ করে দেবো। পরিচয়ের সূত্র ধরে গিয়াস পরিবার ও ছেলে মেয়ে নিয়ে জামালের বাসায় এসে তার পরিবারের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে জামাল সরল বিশ্বাসে গিয়াসের প্রস্তাবে রাজি হলে ২০১৮ সালের শেষের দিকে জামালের ক্রয়কৃত দোকানটি কৌশলে বিক্রি করায় গিয়াস। পরে দোকান বিক্রির টাকায় গিয়াস জামালকে ২০১৯ সালের ২১ মার্চ নগরীর বাকলিয়া থানাধীন কল্পলোক আবাসিক এলাকায় আবু সৈয়দ ও গোলাম মহিউদ্দিন মনসুর নামের দুই ব্যক্তির দুই দলিল হইতে প্রতারক মোঃ দিদারুল আলম ও মোঃ আলমগীরকে পাওয়ার মূলে মালিক দেখিয়ে ৩০ গন্ডা জমি রেজিস্ট্রার্ড বায়না করিয়ে প্রথমে ৪০ লক্ষ টাকা এবং পরে ৬ কানি ২ গন্ডা জমি তিন ভাগের এক ভাগ জামালকে অংশীদার দেখিয়ে টোকেন বায়না করার কথা বলে আরও ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে যায় গিয়াস। এর পর গিয়াস ঢাকা বাংলাদেশ ব্যাংককের ডাইরেক্টার নাকি তার মামা শ্বশুর, তার মাধ্যমে গিয়াস ৫০০ কোটি টাকা লোনের প্রস্তাবের কথা জামালকে জানান এবং লোন পাশ হলে জামালকে বায়না করিয়ে দেওয়া জমি গিয়াস বিক্রি করে দিতে না পারলেও সে জামালের কাছ থেকে সব জমি এক সাথে কিনে নেবে। এই বলে ঢাকা থেকে এসে কিছুদিন পর রেজিষ্ট্রার্ড বায়নাকৃত ৩০ গন্ডা জমির পাশে দ্রুত মূল্য বৃদ্ধি হবে এখন মূল্য কম আছে বলে মোঃ শফিউল আলম নামের এক ব্যক্তি হইতে ১৮ গন্ডা জমি টোকেন বায়না করার কথা বলে ২৭ লক্ষ টাকা এবং লেদু মিয়া নামের আরেক ব্যক্তি হইতে ২ কানি জমি জামালকে পাওয়া নিয়ে দেবে বলে আরও ৬০ লক্ষ টাকা বহদ্দারহাট দলিল লেখক হালিম মুন্সির উপস্থিতিতে, মোঃ নাছের, মোঃ ইকবাল ও বিদ্যুত নামের তার পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা গুলো বুঝিয়ে নিয়ে যায়। পরে গিয়াসকে জমি বিক্রি করার প্রস্তাব দিলে সে আজ নয় কাল এভাবে সময় দীর্ঘায়িত করতে থাকে। এক পর্যায়ে জমির পূর্বের মালিক আবু সৈয়দ সে নিজে বাদী না হয়ে, তার নিযুক্তীয় আমোক্তার নামা গ্রহীতা আক্তারুজ্জামান খাঁন নামের এক ব্যক্তিকে বাদী করে সুকৌশলে পরিকল্পিত ভাবে জামাল, গিয়াস, দিদার, আলমগীর সহ আরো কয়েকজনকে আসামি করে জাল দলিল সৃজনকারী ও প্রতারক সাজিয়ে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং-২৩৬৫/১৯। পরবর্তীতে আদালত পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআই’তে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করলে জামাল তদন্ত অফিসার আনোয়ারের চাহিদা মিটাতে না পারায় তার বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে বলে জানান। বিষয়টি জামাল জানার পর আদালতে আত্নসমার্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত জামালের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং একই মামলার অন্যান্য বাকি আসামিরা আত্নসমার্পণ করে জামিন পেয়ে যায় বলে জানান জামাল উদ্দিনের ছেলে জমির উদ্দিন।
এসময় জমির উদ্দিন আরও জানান, এর পরে জামাল উদ্দিন কারাগারে থাকা অবস্থায় গিয়াস জামালকে দ্রুত জামিন করানোর কথা বলে তার ঘরে গিয়ে পরিবারের কাছ থেকে কৌশলে জায়গার এবং প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্র নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার পর গিয়াস জামালের পরিবারের সাথে আর কোনো যোগাযোগ রাখেনি। দীর্ঘ আড়াই মাস কারাভোগ করে জামাল জামিনে আসার পর গিয়াসের সাথে ফোনে এবং বাসায় গিয়ে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানতে চাইলে গিয়াস তাকে উল্টো হুমকি ধামকি দিতে থাকে। পরে জামাল তার বিষয়ে অনুসন্ধানে নেমে জানতে পারে গিয়াস চট্টগ্রাম নগরীর বড় একটি প্রতারক চক্রের সদস্য। সে শুধু জামালের সাথে নয়, এভাবে আরো অনেকের সাথে প্রতারণা করেছে এবং তার বিরুদ্ধে আদালতে আরও প্রতারণার মামলা ও রয়েছে বলে জানতে পারে। যে সব মামলার মধ্যে গিয়াসের বিরুদ্ধে আদালতে একটি প্রতারণার মামলায় প্রতারক প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নিজেই তার বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন এবং আদালত তাকে দুই বছর সাজা প্রদান করেন বলেও জানতে পারে জামাল। প্রতারক গিয়াস, আলমগীর, দিদার ও তার দলের সদস্যরা প্রভাবশালী ও ভয়ংকর প্রকৃতির হওয়ায় জামাল যখন অসহায় হয়ে পড়ে, তখন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবরে দুইটি লিখিত অভিযোগ করেন।অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাকলিয়া থানাকে তদন্ত দেওয়া হলে তার কোনো প্রতিকার পায়নি বলে জানান জামাল।
এমতাবস্থায় ২০২১ সালের ৯ অক্টোবর রাত ৮ টার সময় জামাল, তার ছেলে ও ভাতিজাকে সাথে নিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে গোল পাহাড় এলাকা দিয়ে আসার সময় গিয়াসের সাথে জামালের দেখা হয়। তখন তার কাছে টাকার বিষয়ে বললে গিয়াসের সাথে থাকা রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আরজু সিকদারের ছেলে ইসফাক তার বাবা আরজু সিকদারকে ফোন দেয়। ফোন দেওয়ার পর আরজুর ছেলে ইসফাক বলে, আঙ্গেল আপনি চলে যান আমি চেক নিয়ে আসছি। তখন ৩০০ টাকার লিখিত স্ট্যাম্প দিয়ে ওখান থেকে চলে যায় গিয়াস।
জমির আরও বলে, গিয়াসের সাথে জামালের সাথে সম্পর্ক থাকাকালীন তার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে জামালের স্ত্রীর কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকার একটি চেক জমা রেখে নগদ ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। পরে তাদের সম্পর্ক নষ্ট হলে ওই টাকা গিয়াসের কাছে চাইতে গেলে সে টাকা না দিয়ে জামালকে উল্টো হুমকি দিতে থাকে। পরে ২০২১ সালের ১৬ নভেম্বর ওই চেকের বিষয়ে বাকলিয়া থানায় অভিযোগ করে আসার সময় নগরীর রাহাত্তার পোল এলাকায় গিয়াসের সাথে জামালের দেখা হলে গিয়াস জামালের উপর হামলা চালায়। তখন ওই এলাকার শাহেদ নামের আওয়ামী লীগের এক নেতার কাছে বিষয়টি জানালে, ২ মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধ করবে বলে ওখান থেকে গিয়াস চলে যায়। পরে টাকা পরিশোধ না করলে জামাল ২০২১ সালের ৩১ আগষ্ট দিদারুল আলম, মোঃ ইসলাম, ইরফান উদ্দিন, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ আলমগীর, গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ আবু সৈয়দ, মোঃ আখতারুজ্জামান খাঁন ও মোঃ নাসির উদ্দিনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। মামলাটি বর্তমানে চলমান এবং ওই মামলায় গিয়াস, আলমগীর ও দিদারের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন বলে জানান জামালের ছেলে জমির উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানা যায়, ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল গিয়াসের সাথে তার বাসা রাহাত্তারপোল এলাকা রাস্তায় জামালের দেখা হলে এসময় তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে কেন এবিষয়ে জানতে চেয়ে সে সন্ত্রাসী দিয়ে জামালের উপর আবারও হামলা চালায়। এসময় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করলে চান্দগাঁও থানা থেকে আবুল কাশেমের নেতৃত্বে পুলিশ উভয়কে থানায় নিয়ে যায়। তখন থানা থেকে তার পূর্ব পরিচিত জোকু নামের আরেক আওয়ামী লীগ নেতা বিষয়টি সমাধান করার কথা বলে গিয়াসকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। পরে বিষয়টি সমাধান না হলে জামাল চান্দগাঁও থানায় একটি অভিযোগ করে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত প্রাপ্ত অফিসার আপ্যায়ন বড়ুয়া জামালের স্ত্রীকে দেওয়া ৩ লাখ টাকার চেকের বিষয়টি গিয়াসকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসা করলে চেকটি তার নয় বলে জানিয়ে থানা থেকে চলে যায় গিয়াস। এর কিছুদিন পর গিয়াস যে চেকটি তার নয় বলে বলেছে সে চেকটি তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগে জামালের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। পরে আদালত মামলাটি চান্দগাঁও থানাকে তদন্তের জন্য দিলে দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার আবদুল কাদের বিষয়টি ভালো ভাবে তদন্ত না করে তার মতো সে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে চান্দগাঁও এলাকায় জামালকে একা পেয়ে গিয়াস তার বাহিনী নিয়ে জামালকে হত্যার উদ্যােশে অপহরণ করার চেষ্টা করে। ওই সময় তার চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে গিয়াস পালিয়ে যায়। পরে ওই দিন চান্দগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরিও করে বলে জানান জামাল উদ্দিন।
সর্বশেয বহুদিন খোঁজাখুজির পর নিজ এলাকা ছেড়ে নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন মোহরা কামাল বাজার এলাকায় একটি মার্কেটে দোকান করছে প্রতারক
আলমগীর, এমন খবর শুনে গত ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর জামাল তার এক বন্ধু ও সাথে মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে ওই স্থানে গেলে আলমগীরের সাথে দেখা হয় জামালের। এক পর্যায়ে সেখানে জামাল ফোন না করলেও পুলিশ গিয়ে হাজির হয়। তখন পুলিশ উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে নিয়ে যায়। থানায় যাওয়ার পর আলমগীর এসআই আনোয়ারের কাছে জামালের সাথে লেনদেনের বিষয়টা স্বীকার করে। পরে টাকা পরিশোধ করার অঙ্গিকার করে আলমগীরের কাছে আগ থেকে থাকা তার ক্রয়কৃত ১০০ টাকার ১ টি ও ৫০ টাকার ৪ টি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে দিয়ে এসআই আনোয়ারকে পরের দিন টাকা নিয়ে আসবে বলে চলে যান। পরের দিন আনোয়ার তাকে টাকা নিয়ে আসার জন্য ফোন করলে আনোয়ারকে উল্টো বিভিন্ন লোক দিয়ে ফোন করায় আলমগীর। পরে এবিষয়ে আনোয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন। এভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পর গত ২৯ জানুয়ারি পিবিআই থেকে জুয়েল নামের এক অফিসার জামালকে ফোন করে বলেন, আপনি একটু পিবিআই এসে আমার সাথে দেখা করেন। কারণ জানতে চাইলে জামালকে অফিসার বলে, আপনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে আসলে জানতে পারবেন। পরে জামাল তার এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে পিবিআইতে গেলে জানতে পারে আলমগীর জামালের নাম উল্লেখ করে আরও ৮/১০ অজ্ঞাত রেখে একটি হামলা ও চাঁদাবাজির মামলা করেছে। যেখানে উল্লেখ করেছে জামাল এবং তার লোকজন ঘটনার দিন তাকে মারধর করে তার ক্যাশ ভেঙ্গে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ফেলেছে যা সম্পুর্ণ মিথ্যা, যার প্রমান এসআই আনোয়ার।
এসময় জামালের পরিবার বলেন, প্রতারকরা এতোটা ক্ষমতাশালী যার ফলে তাদের মিথ্যা মামলা হামলার ভয়ে জামাল উদ্দিন পরিবার নিয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের নিকট বিনয়ের সাথে দৃষ্টি আকর্ষন করে জামাল উদ্দিন বলেন, যাতে তার মতো আর কেউ অসহায় হয়ে পথে না বসে এবং মিথ্যা মামলা হামলার শিকার না হয়, তাই প্রতারক গিয়াস, আলমগীর, দিদার ও তাদের সহযোগীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেন।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী মোঃ জামাল উদ্দিন, তার স্ত্রী জাহানারা বেগম, ছেলে জমির উদ্দিন, মেয়ে নুরী আক্তার, জান্নাতুল নাইমা ও ভাতিজা মোঃ সেলিম উদ্দিন।