শচীন্দ্র লাল দে’র হাত থেকে গুরুকুল আশ্রম রক্ষার্থে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনায় সংবাদ সম্মেলন
চট্টগ্রাম নগরীর দেড়শ বছরের পুরানো নাসিরাবাদ লেক সিটিস্থ ঐতিহ্যবাহী হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পূর্ববঙ্গ গুরুকুল ব্রক্ষ্রচার্য্য আশ্রম ও সনাতনী সমাজ এবং এলাকাবাসীকে রক্ষার লক্ষ্যে এবং ভূমিদস্যু, প্রতারক ও মিথ্যা মামলাবাজ শচীন্দ্র লাল দে’র হাত থেকে গুরুকুল আশ্রম ও সনাতনী সমাজ রক্ষার্থে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পূর্ববঙ্গ গুরুকুল ব্রহ্মচর্য্য আশ্রম কমিটি।
রোববার (২ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পূর্ববঙ্গ গুরুকুল ব্রহ্মচর্য্য আশ্রম কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল পাল চৌধুরী।
এসময় তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী পূর্ববঙ্গ গুরুকুল ব্রক্ষ্রচার্য্য আশ্রমের নামে প্রায় ১৩৩ একর ভু-সম্পত্তি ভূমিদস্যু চক্র, মন্দিরের ভুয়া সভাপতি ও সেবায়েত পরিচয়ে শচীন্দ্র লাল দে মন্দিরের নাম বিক্রি করে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাত করার চেষ্ঠা করছে। আশ্রমের জায়গা এবং মন্দিরের টাকার হিসাব চাইলে এলাকার মন্দিরের ভক্ত ও প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানি করে আসছে। হত্যা, নারী নির্যাতন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরীহ লোকজনদের মারধরসহ শচীন্দ্র লাল দে’র বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় এবং আদালতে প্রায় ডজনের উপর মামলা বর্তমান চলমান রয়েছে বলে জানান আশ্রম কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল পাল চৌধুরী। অভিলম্বে মন্দিরের জায়গা আত্মসাতকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মন্দিরের সেবায়েত তীর্থগুরু শ্রীমৎ স্বামী লক্ষীনারায়ন কৃপানান্দপুরী মহারাজ, মন্দির কমিটির মিটুন চৌধুরী, রাজেশ চক্রবর্ত্তী, হাউজিং সোসাইটির সদস্য রিজুয়ান কবির, সানাউল্লাহ সানী ও মোহাম্মদ টিপু।