আনোয়ারায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
রিয়াদ হোসেন, আনোয়ারা প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
শুক্রবার(৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩ টায় তিনদিন ধরে নিখোঁজ হওয়া শিশু মোহাম্মদ তিহানের(৭) মরদেহ উপজেলার নলদিয়া গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় খালে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। তিহান ঝিওরী গ্রামের আব্দু রশীদের ছেলে। সে পশ্চিম বারখাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনির শিক্ষার্থী। তার বাবা স্থানীয় চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার চা দোকানদার।আব্দু রশীদের তিন সন্তানের মধ্যে তিহান সবার ছোট।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বারখাইন ইউনিয়নের স্থানীয় মেম্বার একেএম সরওয়ার জাহান।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গত বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে তিহান নিখোঁজ হয় শুক্রবার বিকালে নিখোঁজের স্থান থেকে ১ কিলোমিটার পশ্চিমে বরুমচড়ার নলদিয়া গ্রামে তাঁকে পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে তিহানের বাড়ির পাশে বরুমছড়া খাল পার হয়ে গাছ থেকে কূল (বরই) নিয়ে ফিরে আসার সময় ওইদিন পানিতে পড়ে যায়। তাঁর মুখে কূল পাওয়া গেছে। তিহানের মরদেহ উদ্ধারের পর শোকে ছায়া নেমে এসেছে তার বাড়ীতে।
অপরদিকে কেইপিজেডের লেকের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া সুমাইয়া শিমু বর্ষা (১৩) নামে এক শিশুকে মৃত্যু অবস্থায় উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার বিকালে পরিবারের রান্না জন্য লাকড়ি সংগ্রহ করে কেইপিজেড সংলগ্ন কালামিয়া সর্দার বাড়ি লেকের পাশে গেছিলো সুমাইয়া। বিকাল ৪টার দিকে লাকড়ি নিয়ে ফিরার আসার পথে পা পিছলে লেকে পানিতে পড়ে ডুবে নিখোঁজ হয় সে। নিহত সুমাইয়া বৈরাগ ইউনিয়নের বদলপুরা গ্রামের মোস্তাফার মেয়ে। সে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।
আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ বেলাল হোসেন বলেন, একটা শিশু লেকের পানিতে পড়ে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস এর ডুবরী টিম ও আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিস যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। ৪ ঘন্টার চেষ্টায় রাত নয়টায় মেয়েটিকে পানির নিচে থেকে উদ্ধার করে বন্দর থানার এসআই রহিম মিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।