সিটি নির্বাচনে সীমিত আকারে যান চলাচল করবে: নির্বাচন কমিশনার


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ভোটারদের চলাচলের সুবিধার্থে ভোটের দিন (২৯ মার্চ) সীমিত আকারে যান চলাচল এবং অফিস আধাবেলা খোলা রাখার বিষয়ে বিবেচনা করছে কমিশন।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

এ সময় তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে কোনো পক্ষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চেষ্ঠা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার-পোস্টার নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার জন্য প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। এর বাইরে নির্বাচন ঘিরে কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যদি কেউ তৈরি করে তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’

ঢাকায় অন্য কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান রফিকুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, এ বছরের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী মাত্র ২৪ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ভোট পড়েছিল ২৫.৩ শতাংশ। আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩০ শতাংশের মতো। সেসময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো জানায়, ঢাকা সিটি নির্বাচনে এত কম ভোটারের উপস্থিতি আগে কখনও দেখা যায়নি।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার জোট ফেমা জানায়, মূলত তরুণদের মধ্যে ভোট দেয়ার ব্যাপারে বিরাট অনীহা, নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের অনাস্থা, ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের আশঙ্কা ও ভোটের দিনে পরিবহন সঙ্কটের কারণে দেশে ভোটার উপস্থিতি দিন দিন কমছে।

এদিকে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে এসে জাতীয় পার্টির মেয়রপ্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে পরিবহনের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.