স্মার্ট দেশের স্মার্ট সৈনিক হবে আজকের শিশুরা : প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। আগামীতে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে। আজকের শিশুরা স্মার্ট দেশের স্মার্ট সৈনিক হবে। তাদের সেভাবেই গড়ে তোলা হবে।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি স্কুলে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব করে দেয়ার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমাদের শিশুরা কিন্তু তাড়াতাড়ি শিখে। আমরা বৃদ্ধরা শিখতে গেলে কোথায় বোতাম টিপতে হবে সেটা নিয়ে চিন্তা করতে হয়, আর ওরা কিন্তু ভেতর থেকে শিখে ফেলে।

নিজের চার বছরের নাতনির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার চার বছরের নাতি আমাকে শিখায় যে, তুমি এটা (কম্পিউটার) টিপতে থাকো, টিপতে টিপতে পেরে যাবা। আর মোবাইল ফোনের পিন নম্বরটা, শুনলে অবাক হবেন, তারা গেম খেলবে এ কারণে আমি তাদেরকে পিন দেবো না। আমি লুকিয়ে পিন দিচ্ছি, আর আমার চশমার রিফ্লেকশন থেকে আমার নাতি সে নম্বর নিয়ে নিয়েছে। আমাকে বলে আমি জেনে গেছি তুমি কী করো। তো এরা এতো স্মার্ট। আমাদের এই ছোট্ট সোনামণিরা আমার স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট সৈনিক হবে। এটাই তো আমি চাই।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই আমাদের শিশুরা আরও উন্নত হবে। আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। আজ থেকে ১৪ বছর আগের বাংলাদেশ কেমন ছিল? ‌১৯৯৬ সালে সরকারে এসে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবস্থা করেছি, ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করেছি। ২০০৯-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলেছি।

তিনি বলেন, ধন-সম্পদ, টাকা-পয়সা থাকে না। শিক্ষা থাকে। শিক্ষাটাই মূল সম্পদ। আমাদের পরিবারের ছেলেমেয়েদের সে শিক্ষাই আমরা দিয়েছি। পর্দার অন্তরালে থেকে আমাদের ছেলেমেয়েরা দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছি।

ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধ কখনো শান্তি বয়ে আনে না। আমরা যুদ্ধ চাই না। অস্ত্র প্রতিযাগিতায় যে ব্যয় হয় তা দিয়ে শিশুদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানের জন্য ব্যয় করা হোক।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.