জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদনে রিটু দাশ বাবলু
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের এর সাবেক সদস্য রিটু দাশ বাবলুর উদ্দ্যোগে নগরীর সি আর বি মোড়ে ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে শোক দিবস পালিত হয়।
উক্ত শোক দিবসের আয়োজনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ২২নং ওর্য়াড যুবলীগ নেতা মনির হোসেন, মো জিয়াউল হক ও মো রায়হান, কোতোয়ালি থানা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আজহার উদ্দিন মুন্না, ২২নং ওর্য়াড সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো ইসমাইল কোতোয়ালি থানা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো তারেক হায়দার, মো তানভীর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো রাকিব হোসেন, ২২নং ওর্য়াড ছাত্রলীগ নেতা মো তামজীদ হোসেন, শহীদুল ইসলাম নিঝুম, মো আল আমিন, শাহীন আহমেদ রকি
রেলওয়ে হাসপাতাল কলোণী সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন্না
সহ সভাপতি ইফতেহার মাহাবুব তুষার,সাধারণ সম্পাদক মো রাফি হোসেন, ছাএনেতা মো মাইনু উদ্দিন হাসান, মো আলী।
এসময় রিটু দাশ বাবলু বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্যের নির্মম বুলেটে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক ভবনে শহীদ হন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই রাতে প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল।
ঘাতকদের বুলেটে আরও প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ভাগনে মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ খান রিন্টুসহ আরও অনেকে। দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।
বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো বাঙালি তার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে না। সে জন্য তিনি গণভবনের পরিবর্তে থাকতেন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে। এখানে থেকেই তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে সর্বশক্তি নিয়ে ব্রতী ছিলেন। ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকদের বুলেটের মুখেও বঙ্গবন্ধু ছিলেন অকুতোভয়। প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তোরা কী চাস? কোথায় নিয়ে যাবি আমাকে?’
সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প।