বাঁশখালীতে সহিংসতার আশংকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন


সুষ্ঠু নির্বাচন ও কর্মী সমর্থকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৭ নং সরল ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাফর আহমদ।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাফর আহমদ অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে আমার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারণাকালে আমার কর্মী সমর্থকদের পুলিশ নানা ভাবে হয়রানি করছে। তালিকা ধরে রাতে আঁধারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশী করছে। এমন গ্রেপ্তার আতংক তৈরি করে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন আচরণে আমার নেতাকর্মী ও ভোটাররা ভয় পাচ্ছেন।’

এমনকি প্রতিপক্ষরা তাঁর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানোর পাশাপাশি নির্বাচন থেকে সরে যেতে নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছে এমনটি দাবি করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী জাফর আহমদ বলেন, ‘নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো জানান, গত ১৫ মে নির্বাচন তপশীল ঘোষণা করায় আমি জাফর আহমদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রিটার্নিং অফিসারের বরাবরে মনোয়নপত্র দাখিল করে এবং পূর্বের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে এ আশঙ্কায় আমি জেলা প্রশাসক বরাবরে টি আবেদন করি।

যাতে উল্লেখ আছে বাঁশখালীর রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ৭ নং লালোর ইউনিয়নের মনোনয়নপত্র বাছাই পর্ব না করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করার পরেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই সময় নিরুপায় হয়ে বাছাইপর্বের দিন আমি জাফর আহমদের পরিবর্তে একজন এডভোকেট নিয়োগ করি।

নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র বাছাইকালে আমার নিয়োগকৃত এডভোকেট প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড়ালে রিটার্নিং অফিসারের সম্মুখে শত শত লোকের সামনে চোরের মত পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।

এমপি মোস্তাফিজুর রহমানের আপন চাচা রশিদ আহমদের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী ধারা এই ঘটনার অবতারণা করে।

বাহিরের সাংবাদিক ও শতশত লোক প্রশাসন নির্বাচন অফিসের লোকজন বাইরে উপস্থিত ছিলেন। আমি বাধ্য হয়ে সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও আপিল কর্মকর্তা বরাবরে ও পরবর্তীতে লিখিতভাবে অভিযোগ করি এবং আমার অভিযোগের ভিত্তিতে স্মারক নং ১৭০৩. ১৫০০. ০০০৪১.০১০.২২.৬২৩।

গত ২২ মে এ কথা জানিয়ে পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বাঁশখালী থানাকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশনা প্রেরণ করেন।

গত ১৯ শে মে আমি জাফর আহমদ সহ আরো বাকি ৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধতা পাওয়া যায়। বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে আমি বা আমার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এলাকায় অবস্থান করতে পারছিনা একজন প্রার্থী এলাকায় গেলে সবচেয়ে বড়লোক বয়স আনুমানিক ৭৫ বছর তিনি গণসংযোগে রশিদ আহমেদ এর লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা তাকে পঙ্গু করে দেন।

এমন অবস্থায় আমি লেভেল প্লেয়িং তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট এলাকার মোঃ আবু জাফর, মোঃ রাসেল তালুকদার, আব্দুল খালেদ ও স্থানীয় নেতাকমীরা।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.