চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের হাল ধরতে চান সাইফুল

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়


দীর্ঘ ১১ বছর পর দক্ষিণ জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামী ২৮ মে শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সম্মেলন ও নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে উজ্জীবিত হয়েছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। সম্মেলন ঘিরে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ।

এ উপলক্ষে বুধবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি রেস্টেুরেন্টে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আসা সাইফুল ইসলাম।

সভায় তিনি দক্ষিণ জেলা যুবলীগের দায়িত্ব নেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যুব সমাজের প্রচেষ্টা বদলে দিতে পারে বিশ্ব। সর্ববৃহৎ যুব সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনির হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বর্তমানে যুবসমাজের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করে আসছেন যুবলীগ প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহিদ শেখ ফজলুল হক মণির সুযোগ্য উত্তরসূরী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

দেশপ্রেম ও সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষায় মানবিক যুবলীগের সুখ্যাতি অর্জনে সংগঠনের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল কাজ করে চলেছেন। সকল বিতর্ক পেছনে ফেলে জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে শেখ মনির প্রতিষ্ঠিত যুবলীগ অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলেছে।

প্রায় তিন যুগ আগে তৃণমূল ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা সাইফুল ইসলাম বলেন, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামী ২৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এই সন্মেলনে মানবিক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব নিতে আমি প্রস্তুত। দলের দুঃসময়ে জেল-জুলুম-হুলিয়া কোন কিছুই আমাকে আমার আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।

দলের জন্য অনেক নির্যাতিত হয়েছে, শত নির্যাতনের ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছি। ছাত্রলীগের রাজনীতির পর বিগত চার পর থেকে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের রাজনীতির সাথে নিজেকে সপে দিয়েছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং দেশের ঐতিহ্যবাহী যুব সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল যেভাবে দক্ষভাবে দলকে পরিচালনা করেছেন তেমনি দক্ষিণ জেলা যুবলীগকে সুসংগঠিত করে আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য।

দলের দুঃসময়ে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করতে গিয়ে বার বার নির্যাতনের শিকার সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে শক্তিমান যুবশক্তিকে ব্যবহার করা ও সঠিক পথনির্দেশ দেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে আবির্ভুত হচ্ছে। তাই দক্ষিণ জেলার যুবলীগকে গতিশীল করতে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে তুলবো।

সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী বোয়ালখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, আজকের যুবলীগ সকল অনৈতিক ও অপরাজনৈতিক কর্মকান্ড অবদমন করে কাঙ্খিত লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে চলেছে।

জেলা, উপজেলা ও কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে অসংখ্য মামলায় বার বার গ্রেফতার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রশ্নে জীবনবাজি রেখে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি।

এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণের যুবসমাজকে সাথে নিয়ে ধারাবাহিক আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ ও ভিশন ৪১ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে চাই।

যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমার অতীত ত্যাগ, শ্রম ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. ওয়াসিম মুরাদ, চরখিজিরপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি অধ্যাপক আবু নাঈম চৌধুরীসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.