ডিসি’র স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা করার দায়ে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান এর স্বাক্ষর জাল করে স্কুলে ভর্তি করানোর নামে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন মুগলঠুলী এলাকার জামাল উদ্দিন (৪৩) নামের একজনকে ১৫ দিনের কারাদন্ড ও কোতোয়ালি থানাধীন আলকরণ এলাকার মোজ্জামেল হোসেন (৪০) নামের আরেক জন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী মোঃ ওমর ফারুক।
মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টায় চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিনা করে প্রতারকদের এ শাস্তি প্রদান করা হয় বলে জানা যায়।
জানা যায়, মর্জিনা আক্তার নামের এক মহিলা তার ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছেলেকে সরকারি মুসলিম হাই স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার কথা বলে জামাল উদ্দিন মর্জিনা আক্তারের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকার চুক্তি করেন এবং চুক্তি অনুযায়ী জামাল উদ্দিনকে ১৬ হাজার টাকা প্রদানও করেন মর্জিনা।পরবর্তীতে জামাল উদ্দিনের যোগসাজশে মোজাম্মেল নামের এক ব্যাক্তির কাছ থেকে আবেদনের উপর জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া সুপারিশ পত্র মর্জিনাকে দিলে ওই সুপারিশ পত্র স্কুলে ভর্তি করার জন্য দেওয়া হলে স্কুল কর্তৃপক্ষ সুপারিশ পত্রে তারিখ ভূল থাকাতে তাতে সন্দেহ জাগে।পরবর্তীতে বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হলে, জেলা প্রশাসক মর্জিনাকে তার কার্যালয়ে আসার পরামর্শ দেন। মর্জিনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আসার পর জানতে পারে যে, জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল এবং তিনি প্রতারকের জালে পরেছেন।এর পর মর্জিনার তথ্য অনুযায়ী জামাল উদ্দিনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক করে তাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দেওয়া হয় এবং অপর প্রতারক পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ওমর ফারুক।
এবিষয়ে মোঃ ওমর ফারুক বলেন, ডিসি স্যারের স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার বিষয়টি জানার পর প্রতারক জামাল উদ্দিনকে আটক করে ১৫ দিনের কারাদন্ড প্রদান করি এবং অন্য প্রতারক মোজাম্মেল পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করার নির্দেশ প্রদান করি।