চট্টগ্রামে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন: যুবকেরাই সংকট উত্তরণ ও সমৃদ্ধি অর্জনে প্রধান শক্তি
চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, অতীত ঐতিহ্য ধরে রেখে সামনের কঠিন পথে চলা এ সংগঠনের বড় চ্যালেঞ্জ।
সেই চ্যালেঞ্জকে উত্তরণে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন যুবকেরাই। এই সংগঠনের চট্টগ্রাম জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ মৌলভী ছৈয়দ, গণমানুষের নেতা এ.বি.এম মহিউদ্দীন চৌধুরী, এড. সুলতানুল কবির চৌধুরী, মোছলেম উদ্দিন আহমদ, কাজী ইনামুল হক দানু ও খালেকুজ্জামানদের মত নেতাদের পথ অনুসরণ করে বর্তমান যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য কর্মী ভাইদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
মোঃ ইউনুছ বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সংকট মোকাবিলায় আদর্শিক ও সমৃদ্ধ যুব-জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মণিকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
শফিকুল হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর যুবলীগ বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ, জিয়া-এরশাদ-খালেদা স্বৈরাচারি শাসনামলেও অকুতোভয়ে সংগ্রাম করেছেন।
সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, দেশে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠায় ও রক্ষায় যুবলীগের অবদান অনস্বীকার্য। মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মণির নেতৃত্বে ১৯৭২ সালে ১১ নভেম্বর এক যুব কনভেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
আজ ছিল যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এই সংগঠনের লক্ষ্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে সকাল ১০টায় সংগঠনের আহবায়ক মহিউদ্দীন বাচ্চুর সভাপতিত্বে নগর যুবলীগের সদস্য আকবর হোসেন, সাইফুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন বেলাল, শাখাওয়াত স্বপন ও আবু সাঈদ জন এর যৌথ সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব ও আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ইউনুছ, নগর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হাসান, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মাহমুদুল হক, আরও বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পার্থ সারথী, নগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য সরওয়ার মোরশেদ কচি, হাফিজ উদ্দীন আনছারী, আবুল কালাম আবু, একরাম হোসেন, হেলাল উদ্দীন, শহীদুল ইসলাম মকবুল, অধ্যাপক কাজী মুজিব, বাবু রঞ্জিত দে, হাবিব উল্লাহ নাহিদ, নুরুল আনোয়ার, শহীদুল ইসলাম শামীম, সালেহ আহম্মেদ দিঘল, আব্দুর রাজ্জাক দুলাল, সাবের আহম্মেদ, আহসাব রসূল জাহেদ, নাছের তালুকদার, প্রবীর দাশ তপু, আব্দুল আজিম, মঈনুল ইসলাম রাজু, খোকন চন্দ্র তাঁতী, আবু বক্কর চৌধুরী, রতন মল্লিক, ভি.পি ওয়াসিম উদ্দীন চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন চৌ: রুবায়েত, জাবেদ খান, নুরুল আলম মিয়া, নাজমুল হাসান সাইফুল, সনত বড়ুয়া, আবু বক্কর সিদ্দিকী, তৌহিদ আজিজ, আজিজুদ্দীন চৌধুরী, ইকবাল ইকরাম চৌধুরী শামীম, আমানত উল্লাহ ডিউক, শাহেদুল ইসলাম সাহেদ, সরওয়ার খান, মেজবাহ উদ্দীন নোবেল, সাইফুল রহমান রাজু, মোঃ কফিল উদ্দীন, আফতাব উদ্দীন রুবেল, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দেলোয়ার হোসেন বাবুল, শওকত আলী, আব্দুল মালেক, সানাউল্লাহ, তারেক ইমতিয়াজ ইমতু, মান্না বিশ্বাস, মোঃ আজম, জাকির মিয়া, আতিক উল্লাহ, আহম্মেদ আব্দুর রহিম, আবুল বশর, আবুল কালাম আবু, আক্তারুজ্জামান, এম এ আজিজ, অমল সেন, এড. রিমু, মোঃ শফি, আফছার উদ্দীন, শাহীন সরওয়ার, মঈনুল ইসলাম, মোঃ সালাউদ্দীন, আব্দুল ওয়াজেদ খান রাজিব, সাইমুন হোসেন ভোর, শহীদুল ইসলাম শহীদ, সাজু বিশ্বাস, মোঃ শওকত, শফিকুল হাসান রিপন প্রমুখ।