খাতুনগঞ্জে চালের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা


চট্টগ্রাম মহানগরীর খাতুনগঞ্জ এলাকায় চালের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এই মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান। এসময় চালের আড়তের পাইকারী ও খুচরা দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

গত সপ্তাহের তুলনায় কয়েকদিনে চাউলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, মূলত নওগাঁ, দিনাজপুরসহ উত্তর বঙ্গের কিছু জেলাতে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চাল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। চাল ক্র‍য় ও বিক্রয়ের মেমো পর্যালোচনা কর হয়।

দেখা যায়, ৫০ কেজি বস্তার ইরি আতপ চাল ক্র‍য় মূল্য ১৭৯০ টাকা আর বিক্র‍য় মূল্য ১৮২০ টাকা, ৫০ কেজি বস্তার দেশি বেতি চালের ক্রয় মূল্য ১৮৫০ টাকা আর বিক্রয়মূল্য ১৯০০ টাকা, ২৫ কেজি বস্তার পাইজাম চালের ক্রয়মূল্য ১১০০ টাকা বিক্রি ১১৫০ টাকা, এছাড়াও চিনিগুরা চাল ২২০০ টাকা, জিরাশাইল চাল ২৪৫০ টাকা, বালাম সিদ্ধ চাল ১৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রয়মূল্যের তুলনায় অধিক দামে বিক্রি ও মূল্য তালিকাতে দামের কারসাজির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মেসার্স বাবুল ট্রেডার্সকে ১০০০০ টাকা, মেসার্স সাদ ট্রেডার্সকে ১০০০০ টাকা এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জাফর ট্রেডার্সকে ৩০০০ টাকা, ফরিদ ট্রেডার্সকে ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

এছাড়াও চালের আরতের ব্যবসায়ীদেরকে চালের দাম ক্রেতাদের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.