নাটোর-পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিয়ে যত অভিযোগ


বিশেষ প্রতিনিধি: নাটোর পবিস-২ এর দূর্নীতির চিত্র:

১. সদরদপ্তর ও চারটি জোনাল অফিস নিয়ে নাটোর পবিস-২ এর ভৌগোলিক পরিসর। শুধুমাত্র গুরুদাসপুর জোনাল অফিসের আওতায় প্রায় ৪০০ টি শিল্প সংযোগ দীর্ঘ ৫-৬ মাস যাবত ফাইল চাপা পরে ছিল।অনিয়মের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হলে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ব্যবস্হা গ্রহন করলেও এই দুষ্টচক্র মিথ্যা তথ্য দিয়ে এখনো সাধারন গ্রাহকের রক্ত চুষে খাচ্ছে।

দূনীতির মূল হোতা ঐ অফিসের (১) জিএম, (২) ডিজিএম (ট্যেকনিক্যাল) এবং (৩) এজিএম (ই এন্ড সি)।

এরা তিন জন মিলে ১ টা সিন্ডিকেট। উভয়ই আবার সরকার বিরোধী চেতনা পোষণকারী। এজন্য সরকারি নির্দেশনা না মেনে দ্রতবিদ্যূতায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে ঢিলেঢালা ভাবে কাজ করে জনদূভোগ সৃষ্টির অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। অফিস সুত্রে এবং অভিযোগকারী গ্রাহকদের নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গুরুদাসপুরের গ্রাহক ও গ্রাম্য ইলেকট্রিশিয়ান জানায় ইন্ঞিনিয়ার বিভাগ থেকে ফাইল ছাড়াতে প্রতিটি শিল্প সংযোগের বিপরিতে ১০-১৫ হাজার টাকা নির্ধারিত। টাকা ছাড়া সংযোগ কল্পনা করা যায় না এই সমিতিতে।

জিএম, ডিজিএম (ট্যেক) ও এজিএম (E&C) এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী ও বতর্মান সরকার বিরোধী মনোভাবের বহি:প্রকাশ প্রমাণ সহ উল্লেখ্য । জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর এই সোনার বাংলা যাতে শিল্প-বানিজ্যে না এগিয়ে যেতে পারে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী “শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” এই কর্মসূচীকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টায় তৎপর এই চক্র। অধিকতর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে মূল তথ্য।এই চক্র বাংলাদেশের স্বাধীনতায় যে বিশ্বাস করে না তা একটু পিছনে তাকালেই বোঝা যায়।কয়েকমাস আগে কয়েকটি পদে নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহন করে এই সমিতি ব্যবস্থাপনা। গোপন সূত্রে জানা যায় উক্ত পরীক্ষার উত্তরপত্রে স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করা হয়েছে যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জার।

সর্বপরি এরূপ স্বাধিনতা অবমানকারী ও দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্হা গ্রহনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন সহ হয়রানী মুক্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদু্ৎ সেবা সাধারণ জনগণের আশা করেন।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.