করোনাঃ সরকারি আদেশ অমান্য করে দোকান রাখছে খোলা আড্ডা চলছে দিনরাত
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে জনগনকে নিরাপদ রাখতে, দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের যে উদ্দ্যােগ, তা যদি সাধারণ জনগন সচেতন হয়ে পালন করে, তাহলে মরণঘাতী করোনা কে জয় করা সম্ভব। সরকারের আদেশ পালনে জনগনকে সচেতন করতে, সুস্থ রাখতে, নিরাপদে রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা যে ভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে, ঘাটে, শহর কিংবা সারা দেশে কর্তব্য পালন করে যাচ্ছেন তাতে পুলিশের ভূমিকা সত্যি প্রসংশনীয়। সাধারণ জনগনকে নিরাপদ রাখতে গিয়ে প্রাণ দিতে হচ্ছে পুলিশের, দিনদিন আক্রান্ত হচ্ছে শত শত পুলিশ। এসব দেখেও সচেতন তো দূরের কথা অনেকের কাছে তা গল্প কাহিনী আর কফি হাউসের আড্ডায় পরিণত হয়েছে। মনে হয় তাদের কাছে এসব কিছুই না। যার ফলে অনেকে সরকারি আদেশ অমান্য করে দোকানপাট রাখছে খোলা, সড়ক আর অলিগলিতে চলছে আড্ডা দিনরাত।
সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন এলাকায়, সড়ক কিংবা পাড়া মহল্লায় জনগনকে সচেতনতার সহিত সামাজিক দূরত্ব ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার বিধি বিধান অনুয়ায়ী দোকানপাট খোলার রাখার সরকারি আদেশ থাকলে ও তা মানছে না অনেকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা তাদের মতো করেই চলছে। সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানে, পানের দোকানে পাড়ায় অলিগলি ও সড়কে চলছে আড্ডা। মানছে না সামাজিক কিংবা শারীরিক দূরত্ব। গন জমায়েত সৃষ্টি করে একমুঠো খাদ্য বিতরণ দেওয়ার মাধ্যমে চলছে ফটো তোলা, ত্রাণ দিতে গিয়ে জটলা বেঁধে ফটো তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া, এ যেন আরেক মহাকালে পরিণত হয়েছে। এতে করে করোনা সংক্রমণ আতংকে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার সচেতন জনসাধারণ।
বিশেষ করে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন ময়দার মিল, মিয়া খান নগর, বৌ বাজার, বৌ বাজার খাজা হোটেল মোড়, মজিদ সওদাগর মসজিদ, আফগান মসজিদ, ভরা পুকুরপাড়, দেওয়ান, বগারবিল, বগারবিল শান্তি নগর, বাকলিয়া এক্সেস রোড, কালাম কলোনি, শান্তি নগর খালপাড় এলাকা, নগরীর হাজারী গলি, টেরী বাজার, রিয়াজউদ্দিন বাজার আমতল, কাজীর দেউরি দুই নং গলি, বেটারি গলি, অলংকার মোড়, সাগরিকা বিটাক বাজার, কর্ণেল হাট, বিশ্ব কলোনি সহ নগরীর অলিগলি গুলোতে চলছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে আড্ডা। থামছে না কোনো ভাবে এসব আড্ডা। যার ফলে দিনদিন যে ভাবে সংক্রমণ বাড়ছে এতে করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে বেশী। তাই এসব স্থানে সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি আদেশ মেনে চলনে এবং যথা সময়ে দোকানপাট বন্ধ ও আড্ডা থেকে বিরত থাকার লক্ষে, নিজেরা নিরাপদের মধ্যে দিয়ে আরও কঠোর ভাবে দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর।