আনোয়ারায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ
জে.জাহেদ, সিনিয়র রিপোর্টার:
করোনাভাইরাস মহামারী ঠেকাতে চলমান সাধারণ ছুটি ও অঘোষিত লকডাউনের মধ্যে শ্রমিক সংকটে পড়া কৃষকের সহযোগিতায় মাঠে নেমে ধান কাটছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটার সরফরাজ মিয়া নামে হতদরিদ্র এক কৃষকের ৩ দশমিক ৫ বিঘা জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দিল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ।

করোনা প্রভাবে শ্রমিক সঙ্কট হওয়ায় মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে রোজা রাখা অবস্থায় হতদরিদ্র কৃষকের কষ্ট দেখে ধান কাটায় অংশ নেন ছাত্রলীগ একাধিক নেতাকর্মীরা।
এরা হলেন-চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে সহ সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম, শিক্ষা ও পাঠ চক্র বিষয়ক উপ সম্পাদক অারমানুল হক ইমরান, নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক উপ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, শিক্ষা ও পাঠ চক্র বিষয়ক উপ সম্পাদক রাসেল উদ্দিন বিজয়, সহ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ রাশেদ। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন অানোয়ারা উপজেলা ছাত্রলীগ, অানোয়ারা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ ও শাহ মোহছেন অাউলিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগ এর নেতাকর্মীরা।

এছাড়াও আনোয়ারা খাসখামায় অসহায় কৃষক সুমন এর ১৬ গন্ডা জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে আনোয়ারা উপজেলা ছাত্রলীগ। এসময় ধান কাটায় অংশগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরেকুর রহমান, আনোয়ারা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ শফিউল মুন্না, মোহাম্মদ জাহেদ, মোহাম্মদ ফয়সাল, মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বাবলু, মোঃ রাসেল, মো. সাকিব, মোহাম্মদ ইরফান, ইবু চৌধুরী এবং আনোয়ারা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সাব্বির, জনি চৌধুরী, মোহাম্মদ শাকিব, মোঃ সাগর মোহাম্মদ ও ফয়সাল হায়দারসহ প্রমূখ।

কৃষক সরফরাজ মিয়া জানান, একদিকে কাল বৈশাখি ঝড়ের আশঙ্কা। অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে শ্রমিক না পাওয়ায় মাঠ থেকে বোরো ধান ঘরে তোলা নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু দুঃসময়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগের ছেলেরা। আমি খুব মনে থেকে দোয়া করছি তাদের। আমার ছেলে মেয়েরা আর না খেয়ে থাকবে না।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের বলেন, “গ্রামের এসব অসহায় কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সকল ইউনিটের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে। যে সকল কৃষক বেশি বিপাকে পড়েছে, আমরা আগে তাদের ধান কেটে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছি।’