মিস্ত্রী দোভাষ হত্যাকান্ডে ৭ জনকে আসামি করে কর্ণফুলী থানায় মামলা দায়ের


চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর চরলক্ষ্যা এলাকার গ্রীল ওর্য়াকশপ মিস্ত্রী আরিফ হোসেন দোভাষ (২৩) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা আহম্মেদ হোসেন (৪৫) বাদী হয়ে শনিবার রাতেই সিএমপি কর্ণফুলী থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

ফেইসবুকে ভাইরাল হওয়া চার আসামীর ছবি

মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন-১। মো. কায়ছার (২০) পিতা শেখ আহম্মদ ২। মো. পারভেজ (২২) পিতা হাজী গুনু মিয়া ৩। মো. দিদার (২৪) পিতা শেখ আহম্মদ ৪। শেখ আহম্মদ (৪৮) পিতা মৃত দুদু মিয়া ৫। পাকিজা বেগম (৪২) স্বামী শেখ আহম্মদ ৬। মো. নুরুল আলম প্রকাশ এন এ রাজু (২৬) পিতা অাবু কালাম ৭। তাসকিন শাকিব (২০) পিতা মো. ইদ্রিস। এরা সকলেই কর্ণফুলী থানাধীন চরলক্ষ্যা, চরপাথরঘাটা ও শিকলবাহার এলাকার বলে সূত্রে জানা যায়।

চরলক্ষ্যায় ঘটনাস্থলে তাৎক্ষনিক র‌্যাব পুলিশের এ্যাকশন

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করে ইতিমধ্যেই আসামি গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের খুইদ্দারটেক এলাকায় চুরির ঘটনা মেটাতে বসা গ্রাম্যসালিশে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে খুন হন মিস্ত্রী আরিফ হোসেন দোভাষ। সে স্থানীয় গ্রীল ওর্য়াকশপে মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন।

হাসপাতালে পড়ে থাকা দোভাষের লাশ

ঘটনার দিনই পুলিশ ও র‌্যাব সাথে সাথে একজনকে আটক করেন। এদিকে, এক সপ্তাহে পর পর দুই খুনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষেরা। তারা মনে করছেন এলাকায় কিশোর অপরাধ বাড়ছে। ইতোমধ্যে চার আসামির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে। খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.