‘করোনা পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্ত ছাত্রলীগের দুর্দিনে নেতারাও একটু পাশে দাঁড়ান’
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক সাহাব উদ্দীন জয়তুন
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যেকোন দুর্যোগময় সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় এ ধরনের অসংখ্য উদাহরণ দেশে রয়েছে। যা ইতিহাসের পাতায় পাতায় জমা।
এবার দলের দুর্দিন ও করোনা সংকটময় সময়ে অংশ নেওয়া মধ্যবিত্ত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য চট্টগ্রামের সবকটি অাসনের সংসদ সদস্য ও জেলা নেতাদের আহ্বান জানালেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক সাহাব উদ্দীন জয়তুন।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ১৯ এপ্রিল দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে একটা স্ট্যাটাস শেয়ার করেন তিনি। ছাত্রলীগের নেতাকমীরা তার এই স্ট্যাটাসের কথাগুলো সময় উপযোগী যৌক্তিক দাবি বলে সহমত পোষণ করেছেন স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল করিম সম্রাট, উপ দপ্তর সম্পাদক মো. দিদারুল আলম দিদার, ছাত্রনেতা ইঞ্জিনিয়ার নাহিদুল আলম তুহিন, মো. মামুন রশিদ, মেহেদী হাসান রাব্বি, মেহেদী হাসানসহ অনেকে।
দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক সাহাব উদ্দীন জয়তুন তার এই স্ট্যাটাসে লিখেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান গুলোই বেশিরভাগ ছাত্রলীগ করে। এই সংকটে মিছিল করা ছেলেগুলো কাউকে কিছু বুঝাতে পারছে না, বলতেও পারছে না কারণ দল ক্ষমতায় তাই মুখ বন্ধ করে সহ্য করছে। তবে তাদেরও সবার পরিবার আছে, স্বজন আছে আবার অভাব আছে। পরিবার থেকে পাওয়া হাত খরচের টাকাও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিতে দিয়ে দিলেন তাঁরা।
অথচ টানা দল ক্ষমতায় অনেকে অনেক কিছু পেয়েছেন কিন্তু আমাদের দুর্দিনের ছাত্রলীগের কর্মীরা কিছুই পাইনি। সংসারে অভাব দেখা দিলেও কাউকে বলতে পারছেন না আবার সইতেও পারছেনা মধ্যবিত্তের পরিবারের এসব সহকর্মীরা। এতে অসহায় হয়ে চার দেয়ালে বন্দি হয়ে পড়েছে মধ্যবিত্তদের কান্না।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগে সেই নজির দেখালেন। আমরাও কি যে যার যতটুকু সামর্থ্য তা নিয়ে সর্বোচ্চ ভাবে এই সংকটময় সময়ে সাধারণ মানুষের বিপদে ত্রাণ নিয়ে ছুটে যাইনি! কিন্তু আমাদের ছাত্রলীগের ত্যাগী কর্মীদের পাশে কেউ দাঁড়াবে না তা মানা কষ্টকর!

সামনে রমজান সবার ঘরে সংকট। সুতরাং আমি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সবকটি আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়, উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়, স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ জেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তাগণ এবং ছাত্রলীগ করে আজকে যারা বড় চেয়ারে অতিষ্ঠিত হয়েছেন তাদের প্রতি অনুরোধ করছি-আপনার বাড়ির পাশে মধ্যবিত্ত পরিবারের যে সমস্ত ছাত্রলীগের কর্মীরা রয়েছে এখন তাদের প্রতি একটু নজর দিন। মনে রাখবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ত্রাণকে কেউ নিজের সম্পদ মনে করবেন না ও স্বজনপ্রীতি করবেন না।’