আবারো সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায় রোহিঙ্গারা
কয়েকদিন ধরে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিশেষ করে উখিয়া আঞ্জুমানপাড়া, টেকনাফের তুলাতলি উলুবনিয়া দিয়ে কয়েক দফা এদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায় রোহিঙ্গারা।
অনুপ্রবেশের ব্যর্থ হয়ে পদ পরিবর্তন করে নতুন করে রোহিঙ্গা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে ফের চেষ্টা চালালে বিজিবি তাদেরকে চত্রভঙ্গ করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঠেলে দেয়।
রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তুমব্রু সীমান্তের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলারের কাছে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি রোহিঙ্গা দল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি তাদের ঠেকাতে সক্ষম হয়।
সীমান্তের তুমব্রু এলাকার বাসিন্দা আহমদ হোসেন বলেন, রবিরার ভোর সকালে ২০/৩০জনের একটি রোহিঙ্গার দল তুমব্রু কোনারপাড়া দিয়ে এদেশে নতুন করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে।
এসময় বিজিবি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ এসব অসুস্থ রোহিঙ্গারা যদি এপারে চলে আসে তাহলে এখান পরিস্থিতি কি হয়, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেনা। কারণ ধারণা করা হচ্ছে করোনা আক্রান্ত তারা।
ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একে এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, সম্প্রতি মিয়ানমার বিভিন্ন সময়ে আটক দেড় শতাধিক রোহিঙ্গাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ায় তারা হয়তো বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে । সারা বিশ্বে করোনন ভাইরাস নামক মহামারি রোগ মিয়ানমারের ও ছড়িয়েছে বলে এমন খবরা খবর শুনেছি।
কোন মতে অনুপ্রবেশের ঘটনার মতো যেন না ঘটে সে দিকে সবাইকে সর্তকতা থাকতে হবে। তুমব্রুর ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সীমান্তে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) কঠোর সর্তক অবস্থায় রয়েছে এবং অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি ১ রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছুড়ে।
কক্সবাজার বিজিবি ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমদ জানান, গত কয়েকদিন থেকে বেশকিছু রোহিঙ্গা বান্দরবান ও কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। রবিবার ভোরে এরকম একটি রোহিঙ্গা দলকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় বিজিবি।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে এসব রোহিঙ্গাদের অধিকাংশ করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত ধারনা করা হচ্ছে। চিকিৎসার জন্য এদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। তবে বিজিবি’র কর্মকর্তারা মনে করছেন সম্প্রতি মিয়ানমার বিভিন্ন সময়ে আটক দেড় শতাধিক রোহিঙ্গাকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছে। তারা হয়তো বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে।