চট্টগ্রাম বন্দর: ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা হয়েছে


করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশে ‘সামাজিক দূরত্ব’ নিশ্চিতকরণ কর্মসূচিতে যাতে সাপ্লাই চেনে বিঘ্ন না ঘটে সে লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম।

বিশেষ করে বিদেশ থেকে আসা জাহাজের আমদানি পণ্য, কনটেইনার জাহাজ থেকে নামানো এবং রফতানি পণ্যভর্তি কনটেইনার জাহাজে তোলা, আমদানি পণ্য ডেলিভারি, ট্রেন বা ট্রেইলার দিয়ে কনটেইনার ঢাকা আইসিডি, বেসরকারি আইসিডিসহ বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো এবং আনা ইত্যাদি কার্যক্রম চলছে।

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসও সীমিত পরিসরে ২৪ ঘণ্টা জরুরি আমদানি-রফতানি পণ্য ছাড়করণসহ আনুষঙ্গিক সেবা চালু রেখেছে। বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংকের সঙ্গে মিল রেখে ২ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম জানান, দেশের সাপ্লাই চেন ঠিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশন ২৪ ঘণ্টা চলছে। বন্দর সচিব বলেন, দুই ঈদের সময় দুই বেলা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশেষ করে ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা থাকলে আবহাওয়া অধিদফতরের বিপদ সংকেতের ওপর নির্ভর করে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকে। নয়তো সারা বছর দিনের ২৪ ঘণ্টা এ কার্যক্রম সচল থাকে।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, ব্যাংক থেকে বিএল নেওয়াসহ জরুরি আমদানি রফতানির সুবিধার্থে যেসব শিপিং এজেন্ট, মেইন লাইন অপারেটর, ফিডার অপারেটরের জাহাজ বন্দরে আসছে তাদের অফিস সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলার রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রধান দুইটি টার্মিনাল এনসিটি ও সিসিটির অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) ক্যাপ্টেন তানভীর হোসেন জানান, ২৪ ঘণ্টা অপারেশন পরিচালনার লক্ষ্যে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের ক্রেন অপারেটর, ল্যাসিংম্যান, শ্রমিকদের আনার জন্য তিনটি বাসের ব্যবস্থা রেখেছি। পাশাপাশি তাদের খাবার নিয়ে আসার নির্দেশনা দিয়েছি। এ ছাড়া উন্নত নাশতা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হাতধোয়ার ব্যবস্থাসহ নানা রকম প্রণোদনা দিচ্ছি আমরা।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.