উপজেলা নির্বাচন উন্মুক্ত, কোনো সংঘাত চাই না: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী উপজেলা নির্বাচন আমি উন্মুক্ত করে দিয়েছি। কে কতটুকু কাজ করেছেন, তা যাচাই করা যাবে। তবে নির্বাচনকে ঘিরে কোনো সংঘাত চাই না।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার নির্বাচন নিয়ে বড় ধরনের চক্রান্ত ছিল। জালাও পোড়াও অগ্নি সন্ত্রাস করেছিল। বিএনপি অনির্বাচিত সরকার চায়। তারা জানে নির্বাচন আসলে আওয়ামী লীগ জিতবে। তাই তারা নির্বাচন বানচাল করতে চেয়েছিল। আমরা নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন করে দিয়েছি। আইনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছে। আমাদের ৮১ টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন করে দিয়েছি।
শেখ হাসিনা বলেন, সরকার যে মানুষের কল্যাণে কাজ করে সেটা একমাত্র আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে তখন উপলব্ধি করেছে, সুফল পেয়েছে। জনগণের ভোটে কোন একটি দল একটানা চারবার ক্ষমতায় আসা সহজ কাজ না। আমরা জনগণের কল্যাণে কাজ করেছি, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছি। আমাদের উন্নয়নটা তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত, প্রত্যেকটা স্তরের মানুষ অবহেলিত না থাকে সেই দিকে লক্ষ্য রেখে পরিকল্পনা নিয়েছি, বাস্তবায়ন করেছি। যার ফলে জনগণের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, তার জন্য নির্বাচন উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। এই নির্বাচনকে কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেনি। যারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের কাছে প্রশ্ন, কী কী কারণে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি সেটা বলতে হবে।
আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা, মহানগর ও উপজেলা, থানা, পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় ও স্বতন্ত্র সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানদের নিয়ে সকাল ১০টার দিকে ‘বিশেষ বর্ধিত সভা’ শুরু হয়।
সভার শুরুতে প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।
এদিকে সকাল ৮টা থেকে সারা দেশ থেকে আসা নেতারা গণভবনের সামনে জড়ো হন এবং সাড়ে আট থেকেই এক এক করে নেতারা গণভবনে প্রবেশ শুরু করেন।