মহিউদ্দিন চৌধুরী নামকরণে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে করার সিদ্ধান্ত
চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত নির্মাণাধীন চার লেনের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নামকরণ সাবেক মেয়র প্রয়াত এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
এ ছাড়া ডিটি বায়েজীদ সংযোগ সড়ক বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে এবং বাকলিয়া এক্সেস রোড সিডিএ’র বর্তমান চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষের বাবা জানে আলম দোভাষের নামে করার প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ৪৫৮ তম বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস জানান, চট্টগ্রামের এ মেগা প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের দিকে। আজকের বোর্ড সভায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নামকরণের বিষয়টি সর্বসম্মতিক্রমে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফ্লাইওভার নামে অনুমোদন হয়েছে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তথ্যমতে, চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি র্যাম্প ও লুপ মিলে উড়াল সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। ২০১৭ সালের ১১ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। প্রকল্পটির নির্মাণকাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ও চীনা প্রতিষ্ঠান র্যাঙ্কিন। প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় তিন হাজার ৭২০ কোটি ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭২৮ টাকা হলেও পরবর্তীতে আরো ৬৪৯ কোটি দুই লাখ ৪৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৩৬৯ কোটি সাত লাখ ১০ হাজার ৮১৯ টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদ আছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।