চসিক এলাকায় শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো কার্যক্রম ১৮ জুন
জাতীয় পুষ্টি সেবা জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৮ জুন দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো সেবা ও কার্যক্রম পরিচালনা করবেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন স্বাস্থ্য বিভাগ।
শনিবার (১৭ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর আলকরণস্থ চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয় নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানা।
এসময় সাংবাদিকদের তিনি জানান, আগামী ১৮ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইড লাইন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর্মীরা বিভিন্ন কেন্দ্রে জীবাণুমুক্ত করে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে ১ টি করে নীল রঙের, ১২-৫৯ বয়সী শিশুকে ১ টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘ এ ‘ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এতে যদি ক্যাম্পেইন চলাকালীন কোনো শিশু ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ পরে পরবর্তীতে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যােগে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চসিকের দাতব্য চিকিৎসালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ইপিআই কেন্দ্র সমূহে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে খাওয়ানো হবে।
তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে ১ হাজার ৩’শ ২১ টি টিকাদান কেন্দ্র থেকে ৬-১১ মাস বয়সী
শিশুদের ৮১ হাজার, ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ভিটামিন ‘এ ‘ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে এবং ওই সব কেন্দ্রে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করবেন।
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সং শ্লিষ্ট সকল সরকারি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাগন, জোনাল মেডিকেল অফিসার, ইপিআই টেকনিশিয়ান, সুপারভাইজার, স্বাস্থ্য সহকারী, টিকাদান ও স্বাস্থ্যকর্মীরা এ কর্মসূচিতে নিয়োজিত থাকবে বলে জানান।
তিনি জানান, গত ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রমে চসিক এলাকায় ৬-১১ মাস বয়সী ৭৮ হাজার ৫’শ ২২ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৫১ হাজার ৪’শ ৯২ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পুষ্টি সেবা অধিদপ্তর ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা.মঞ্জুর আল মোরশেদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জুনিয়র ক্লিনিশিয়ান ডা.মুরাদ খান, ডা. হাসান চৌধুরী, ডা. সুমন তালুকদার, ডা. জুয়েল মহাজন, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. তপন কুমার চক্রর্বতী, ভ্যাকসিনেশান ইনচার্জ মো. আবু সালেহ ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আজীজুল আহমেদ।