আ’লীগের নোমান ছাড়া অন্য প্রার্থীরা মাঠেও ছিলনা ভোট কেন্দ্রেও নেই


চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ নির্বাচনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের নোমান আল মাহমুদ ছাড়া অন্য প্রার্থীরা ১৯০টি কেন্দ্রের সব গুলোতে এজেন্টও দিতে পারে নি। ভোটের আগে মাঠেও ছিলনা তারা। শুধু ফটো সেশন করেছে।

শুরু থেকেই ভোটারের অংশগ্রহণমূলক উপস্থিতি থাকার প্রতিশ্রুতি পেয়ে আসছেন নোমান আল মাহমুদ। তবে অন্য প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেনি বলে জানান স্থানীয় ভোটাররা। মূলত তারা প্রচারনার নামে এতোদিন ফটোসেশন প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন বলে জানান ভোটাররা।

এই আসনের চট্টগ্রাম নগরীর অংশ ও উপজেলা ঘুরে কথা হয় বিভিন্ন বয়সী ভোটারের সঙ্গে। এছাড়া কথা হয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গেও।

পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম বলেন, সকাল থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে সুষ্ঠু ভাবে ভোট হচ্ছে। আমার এলাকার এখলাসুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় কেন্দ্রে ইসলামি ফ্রন্টসহ স্বতন্ত্র প্রার্থী কোন আসনে তাদের এজেন্টও যোগার করতে পারেনি।

৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এসরারুল হক এসরাল বলেন, আমার ওয়ার্ডের প্রতিটি ঘরে ঘরে নৌকার প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। এক্ষেত্রে অন্য প্রার্থীদের তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। তবে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদানে ব্যাপক উৎসাহিত করেছি। এজন্য আজ ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত
হয়ে ভোট দিচ্ছেন।

বোয়ালখালী পৌরসভার ভোটার সাংবাদিক শাহরিয়ার মুনির জিসান বলেন, উন্নয়নের জন্য নৌকার কোনো বিকল্প নেই। রাজনীতির মাঠে, কিংবা সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের লোকজন ছাড়া কাউকে কোথাও পাওয়া যায় না। শুধু নির্বাচন উপলক্ষে মানুষের কাছে গেলে তো হবে না। এলাকাবাসীর চাওয়া-পাওয়া মেটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নোমান আল মাহমুদ। তার মতো একজন স্বচ্ছ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষের প্রতিশ্রুতিতে নৌকায় ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছি। অন্য প্রার্থীদের এজেন্টও দেখা যায়নি।

বোয়ালখালী উপজেলার ৯ নম্বর আমুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজল দে বলেন, ‘আমার এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া অন্য প্রার্থীদের দেখাই যায়নি।

চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা লোকমান বলেন,
ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন একমাত্র প্রার্থী নোমান আল মাহমুদ। তিনিই সকল এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের নির্বাচনী মাঠে দেখা মেলেনি।

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ নৌকা প্রতীকে, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের অধ্যক্ষ আল্লামা এস এম ফরিদ উদ্দিন চেয়ার প্রতীকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সেহাব উদ্দিন মোহাম্মদ আবদুস সামাদ মোমবাতি প্রতীকে, এনপিপির কামাল পাশা আম প্রতীকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর মো. রমজান আলী একতারা প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ ও ৪৩ নম্বর রাজনৈতিক ওয়ার্ড এবং বোয়ালখালী পৌরসভা ও উপজেলার কধুরখীল, পশ্চিম ও পূর্ব গোমদন্ডী, শাকপুরা, সারোয়াতলী, পোপাদিয়া, চরণদ্বীপ, আমুচিয়া ও আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৮ আসন। এই আসনে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৮ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৪১ হাজার ৯২২ পুরুষ ও ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৪ নারী ভোটার।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.