দায়িত্ববান নাগরিকের উচিত হবে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা: মোহাম্মদ ইসলাম বেবী


মোঃ শহীদুল ইসলাম রানা, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী শারীরিক অসুস্থতা কাটিয়ে আবার নেমে পড়েছেন পৌরবাসীর সেবায়।

উল্লেক্ষ্য ফুসফুসে পানি জমার কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনি গত ১৬ই আগস্ট ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ প্রদিপ রঞ্জন সাহা এর তত্বাবধানে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে ছিলেন। শাররীক ভাবে সুস্থতা অনুভব করায় ২৭শে আগস্ট তিনি বান্দরবান ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি বান্দরবানে নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন বলে জানান প্রতিবেদক কে।

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হলেও শাররীক অসুস্থতায় দমানো যায়নি এই প্রবীন রাজনীতিক কে, ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ও তিনি সামলিয়েছেন দাপ্তরিক নানা কাজ।নিয়েছেন পৌরসভার সার্বিক বিষয়ের খোজ খবর।বান্দরবানে চলছে কোভিড-১৯ ২য় ডোজের টিকা গ্রহণ কার্যক্রম চলমান। এই কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য তিনি পৌর এলাকার ৯ টি ওয়ার্ডের প্রায় সব কয়টি কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েন।এছাড়াও পৌরসভার অফিসের কার্যক্রম শেষ করেও রাত পর্যন্ত পৌরবাসির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন বাসায় বসে।

ব্যাক্তিগত স্বাক্ষাৎকারে তিনি প্রতিবেদক কে বলেন বর্তমানে কোভিড-১৯ একটি বড় ইস্যু। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে এর প্রকোপ মোকাবেলায় হিমসিম খাচ্ছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্ষি বুদ্ধিমত্তার কারণে আজকে আমাদের দেশের সকল জনসাধারণ কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন এর আওতায় এসেছে, সরকার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেষণের মাধ্যমে দেশের সকল জনসাধারণ কে এই ভ্যাকসিনেসনের আওতায় নিয়ে এসেছে খুবই অল্প সময়ে। পার্বত্য বান্দরবানের জনসাধারণের মাঝেও কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন গ্রহণে উৎসাহ বেড়েছে।বান্দরবান পৌরসভার উদ্যোগে ইতিমধ্যে পৌর এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য পৌরবাসিকে সচেতন করা হয়েছে। এ সকল জন গুরুত্বপূর্ন বিষয় গুলো অবহেলা করার কোন সুযোগ নেই।

তিনি আরো বলেন, কোভিড ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান একটি পক্রিয়া তাই সকল দায়িত্ববান সুনাগরীকের উচিত হবে সরকারী নির্দেষনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। পর্যায়ক্রমে ভ্যাকসিন গ্রহণে নিবন্ধিত ব্যাক্তি তার নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে করোনার ১ম এবং ২য় ডোজের টিকা গ্রহণ করা।

তিনি আরো বলেন, বিশেষ করে মাক্স ব্যাবহারে সচেতন হলে কোভিড-১৯ এর ঝুকি অনেকাংশে কমে যায়।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.