প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে গৃহবন্দী মানুষের পাশে “ডাঃ প্রিন্স সেন”
মোঃ শহিদুল ইসলাম রানা, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: প্রাকৃতিক কারণে কয়েক দিনের ভারী বর্ষণের কারণে অসহায় হয়ে পড়েছে পাহাড়ে বসবাস করা নিম্ন আয়ের মানুষ। তাছাড়া দীর্ঘদিন লকডাউনের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়েছে নানা শ্রেণীর, নানা পেশার মানুষ।
বান্দরবানে ইতিমধ্যে সরকারি সাহায্য সহায়তার পাশাপাশি ব্যাক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে অনেকেই অসহায়দের পাশে দাড়িয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুব প্রজন্মলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ বান্দরবান পার্বত্য জেলার আহবায়ক, বান্দরবান জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি ডাঃ প্রিন্স সেন ব্যাক্তি উদ্যোগে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ঘরবন্দী মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
২২শে জুন, মঙ্গলবার বান্দরবান পৌরসভার ৬ ও ৯ নং ওয়ার্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ব্যাক্তি উদ্যোগে ত্রাণ পৌছে দিয়েছেন।
এ সকল ত্রাণ সামগ্রীর মাঝে ছিলো চাল, ডাল, তেল, আলু, খাবার স্যালাইন ও প্যারাসিটামল ট্যাবলেট ইত্যাদি। ইতি পূর্বেও ডাঃ প্রিন্স সেন ব্যাক্তি উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে আলোচনায় এসেছেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যা চোখে পড়ার মতো।
ব্যাক্তি উদ্যোগে চলমান এই ত্রাণ সহায়তার বিষয়ে যানতে চাইলে ডাঃ প্রিন্স সেন বলেন, করোনার মহামারীতে আমি নিজ উদ্যোগে ব্যাক্তিগত ভাবে আমার সামর্থ অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আপনারা জানেন কয়েকদিন ধরে বান্দরবানে ভারী বৃষ্টি বর্ষণের কারণে অনেক নিম্ন আয়ের পরীবার অসহায় হয়ে পড়েছে, খেটে খাওয়া দিন মজুর থেকে শুরু করে, অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ এখন কর্মহীন ভাবে দিনাতিপাত করছে। আমি এর আগেও অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছি যা আপনারা অবগত আছেন। ক্রমান্বয়ে আমি আমার সাধ্যমত ত্রাণ সহায়তা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।
সাধারন মানুষের অসুবিধায় আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে বান্দরবান পৌরসভার ৬ ও ৯ নং ওয়ার্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ১১০ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী আমি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী ও আমিসহ পৌছিয়ে দেয়ার ব্যাবস্থা করেছি।