সিএমপি’র তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহৃত শিশু উদ্ধার ও গ্রেপ্তার ২
কে এম রাজীবঃ সিএমপি দক্ষিণ বিভাগ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিগত পাঁচ মাস পূর্বে অপহৃত হওয়া আট মাস বয়সী শিশু মোঃ ফারহানকে উদ্ধার ও অপহরণকারী মোঃ ইসমাইল (৩৫) ও সুলতানা বেগম সুমি (২৬) নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১ জুন) শিশুটিকে তার মা বাবার কাছে তুলে দেন কোতোয়ালি থানা পুলিশ। শিশুটিকে সিলেট কোতোয়ালি থানা পুলিশের সহযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানা এলাকা হতে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি মোঃ ইসমাইল হবিগঞ্জ জেলার, বাহুবল থানার, তিতারকোনা খলিল মিয়ার বাড়ির মোঃ খলিল পাটোয়ারীর ছেলে এবং সুলতানা বেগম সুমি হবিগঞ্জ জেলার, চুনারুঘাট থানার, দক্ষিণ নলপটির মৃত ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে। সে নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পাশে থাকতেন বলে জানা যায়।
সিএমপি দক্ষিণ বিভাগ সুত্রে জানা যায়, অপহরণকারী সুলতানা বেগম বাদীর পরিবারের সহিত পূর্ব পরিচিত। সে গত ১২ ডিসেম্বর সকাল অনুমান ৮ ঘটিকার সময় সিএমপি’র কোতোয়ালী থানাধীন রেলওয়ে ষ্টেশন কলোনীস্থ বাদীর পূর্বের বাসায় এসে ৮ মাস বয়সী শিশু মোঃ ফারহানকে বাদীর স্ত্রী তসলিমা ঝর্ণার কোল হতে নিয়ে আদর করতে থাকে। ওই সময় বাদীর স্ত্রী তসলিমা ঝর্ণা বাসার কাজে ব্যস্ততার সুযোগে চোখের পলকেই ৮ মাস বয়সী শিশু মোঃ ফারহান’কে নিয়ে সুলতানা বেগম সুমি (২৬) চলে যায়। পরে অপহরণকারী শিশু ফারহানকে ৫হাজাট টাকার দাবীতে বিক্রি করে দিলেও মাত্র ৯শ টাকা নিতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে বাদী ও তার স্ত্রী সম্ভাব্য আশপাশের স্থানে খোঁজাখুঁজি করার ফারহান’কে খুজে না পেয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেন বলে জানা যায়।
পরবর্তীতে মামলা রুজু হওয়ার পর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এর সার্বিক দিক নির্দেশনায়, এসআই বাবুল কুমার পাল, এএসআই মতিউর রহমান, নারী কনস্টেবল নার্গিস আক্তার, রোকসানা ও সাহাদৎ সহ অপহরণকারীর চক্রটি সিলেট কোতোয়ালী থানার পুলিশের সহযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানা এলাকা হতে শিশু মোঃ ফারহান’কে উদ্ধার করে এবং এসময় শিশু অপহরণের অভিযোগে মোঃ ইসমাইল ও সুলতানা বেগম সুমি কে গ্রেফতার করে বলে জানা যায়।