প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের স্মারকগ্রন্থ ‘পিতা থেকে কন্যা : স্বাধীনতা থেকে অর্থনৈতিক মুক্তি’র মোড়ক উন্মোচন


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিনের স্মারকগ্রন্থ ‘পিতা থেকে কন্যা : স্বাধীনতা থেকে অর্থনৈতিক মুক্তি’র মোড়ক উন্মোচন করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

আজ সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তিনি বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় বইটির সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, প্রকাশক জয়ীতা প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী ইয়াসিন কবীর জয়, বইটির প্রচ্ছদশিল্পী শাহরিয়ার খান বর্ণ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সিনিয়র ফটোসাংবাদিক সাইফুল কল্লোল এবং ছড়াকার-কবি আসলাম সানি উপস্থিত ছিলেন।

জয়ীতা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত স্মারক গ্রন্থ ‘পিতা থেকে কন্যা : স্বাধীনতা থেকে অর্থনৈতিক মুক্তি’র মুখবন্ধ লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তণ উপাচার্য আ আ মস আরেফিন সিদ্দিক। ১৫০ পৃষ্ঠার সুলিখিত গ্রন্থটির ৫টি অধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুকন্যার নিরন্তর সংগ্রামের তথ্যবহুল বিবরণ ও বহু দুর্লভ ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে।

বইটিতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্ম, বেড়ে ওঠা, ছাত্রজীবন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ এবং সুদক্ষ ও বলিষ্ঠভাবে দল পরিচালনাসহ নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জনরায়ে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার বিবরণ। পরে ২০০১ সালে ষড়যন্ত্র ও কারচুপির নির্বাচনে তাঁকে পরাজিত করে চলে চারদলীয় জোট সরকারের দুঃশাসন ও অপশাসন এবং সেই ফলশ্রুতিতে অনিবার্যভাবে আসে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। মিথ্যা মামলায় জননেত্রী শেখ হাসিনা কারাগারে যান। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলেন।

শিক্ষা, বিদ্যুৎ, কৃষি, মৎস্য, খাদ্য, তৈরি পোশাকশিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে সামনের সারিতে অবস্থান করে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দণ্ড কার্যকর করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন। বাংলাদেশের রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স সর্বকালের রেকর্ড অবস্থানে রয়েছে। তিনি ভিশন ২০২১, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ নামে সবিশেষ কর্মসূচি নিয়েছেন। স্বপ্নের পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু টানেল, মেট্রোরেলসহ ১২টি মেগা প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হলে বদলে যাবে বাংলাদেশের দৃশ্যপট। বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব আজ বিশ্বসভায় প্রভূত প্রশংসিত। এ জন্য তিনি জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের কাছ থেকে সম্মানজনক অসংখ্য পদকে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে চতুর্থ মেয়াদে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা করছেন।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.