বেনফিকাকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে লিভারপুল


প্রথম লেগে বেনফিকার মাঠ থেকে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা মসৃণ করে রেখেছিল লিভারপুল। তবে অ্যানফিল্ডে বেনফিকা ছেড়ে কথা বলেনি। ছয় গোলের রোমাঞ্চকর এক ম্যাচটি শেষ হয়েছে ৩-৩ গোলে ড্র’তে। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ গোলের ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে লিভারপুল।

ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানে, আলেক্সান্ডার আর্নল্ড এমনকি অ্যান্ড্রিউ রবার্টসনকেও মূল একাদশ থেকে বিশ্রামে রেখেছিলেন ক্লপ। অবশ্য প্রথম লেগে ৩-১ গোলের জয়টার কারণেই ঘরের মাঠে মূল একাদশের এতগুলো খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রাখতে পেরেছিল অলরেডরা। তবে তাতে সেমিফাইনালের টিকিট কাটতে অঘটন ঘটেনি লিভারপুলের।

রবের্তো ফিরমিনোর জোড়া গোলের সঙ্গে লিভারপুলের হয়ে স্কোরশিটে নাম লেখান ইব্রাহিম কোনাতেও। অন্যদিকে বেনফিকার হয়ে তিনটি গোল করেন গন্সালো রামোস, রোমান ইয়ারেমচাক এবং ডারউইন নুনেজ। এতেই ম্যাচ শেষ হয় ৩-৩ গোলে।

ম্যাচের ২১ মিনিটের মাথায় সিমিকাসের কর্নার থেকে হেড করে লিভারপুলকে লিড এনে দেন ইব্রাহিম কোনাতে। লিভারপুলকে খুব বেশি সময় লিড ধরে রাখতে দেয়নি বেনফিকা। ৩২ মিনিটের মাথায় গনসালো রামোসের দুর্দান্ত এক গোলে ম্যাচে সমতায় ফেরে বেনফিকা। এরপর প্রথমার্ধে আরও কয়েকবার লিভারপুলের রক্ষণের পরীক্ষা নেয় বেনফিকা কিন্তু ভাঙতে পারেনি রক্ষণ।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই আবারও লিড নেয় অলরেডরা। ৫৫ মিনিটের মাথায় ডিয়েগো জোটার অ্যাসিস্ট থেকে স্কোরশিটে নাম তোলেন রবের্তো ফিরমিনো। এর মিনিট দশেক পরে সিমিকাসের দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট থেকে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ফিরমিনো। লিভারপুল এগিয়ে যায় ৩-১ গোলের ব্যবধানে।

তবে অ্যানফিল্ডে রোমাঞ্চের শেষ এখানেই নয়। ৭৩তম মিনিটে অ্যালেক্স গ্রিমালদোর অ্যাসিস্ট থেকে রোমান ইয়ারেমচাক গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন। আর ৮১ মিনিটের মাথায় ডারউইন নুনেজ দুর্দান্ত এক গোল করে ৩-৩ গোলে বেনফিকাকে সমতায় ফেরান। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পরেও ফলাফল থাকে ওই ৩-৩। তবে ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয় ওই প্রথম লেগের ফলাফলই। লিভারপুল দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ গোলের ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে লিভারপুল।

সেমিফাইনালে আগামী ২৬ এপ্রিল ভিয়ারিয়ালের মুখোমুখি হবে লিভারপুল। ফিরতি লেগ মাঠে গড়াবে ৪ মে।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.