ঘুষ কেলেঙ্কারি: ডিআইজি মিজানের ৩, বাছিরের ৮ বছর কারাদণ্ড


ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে করা মামলায় পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের তিন বছর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে দুটি ধারায় মোট আট বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বাছিরকে ৮০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম আদালত এ রায় দেন।

মিজান ও বাছির দুজনকেই বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এনামুল বাছিরকে দণ্ডবিধি আইনের ১৬১ ধারায় ৩ বছর ও মানি লন্ডারিং আইনে ধারায় ৫ বছর করে মোট ৮ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুইটি ধারায় শাস্তি একসঙ্গে চলবে বলে আদালত আদেশে উল্লেখ করেন। ফলে বাছিরকে ৫ বছর সাজা ভোগ করতে হবে।

এদিন আসামিদের আদালতে তোলা হলে সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে বিচারক শেখ নাজমুল আলম আদালতে রায় পড়া শুরু করেন।

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি করেছিলেন শেখ মো. ফানাফিল্যা। এর পর ডিআইজি মিজানুর রহমান ও খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

২০২০ সালের ১৮ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত। চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম রায় ঘোষণার জন্য ২৩ ফেব্রুযারি দিন ধার্য করেন।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.