ইন্টারনেট ব্যবহারে বয়সসীমা বেঁধে না দেয়ায় ঝুঁকিতে শিশু কিশোররা


শিশু কিশোরদের জন্য একেবারেই নিরাপদ নয় অনলাইন জগত। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বয়সসীমা বেঁধে না দেয়ায় যেকোনো ওয়েবসাইট ও অ্যাপে ঢুকতে পারছে তারা। শিকার হচ্ছে সাইবার বুলিংয়ের। শিশু কিশোরদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পাশাপাশি পরিবারকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

দিনকে দিন সহজ হচ্ছে স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টারনেটের ব্যবহার। বিশ্বজগতের সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি এখন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অন্যতম অনুষঙ্গ বলেই শিশু কিশোরদের হাতেও এসব ডিভাইস তুলে দিচ্ছেন অভিভাবকরা। তবে অনিরাপদ ইন্টারনেটের যুগে এসব আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে কতটুকুই বা নিরাপদ কোমলমতি শিশুরা?

অভিভাবকরা বলছেন, ক্লাস চলাকালীন খারাপ কিছু বিজ্ঞাপন চলে আসে যা বাচ্চার বয়সের সঙ্গে যায় না। এসবের সমাধান বের করা উচিত, যাতে বাচ্চারা ইন্টারনেট থেক দূরে সরে আসে।

ইন্টারনেটে নিরাপত্তাহীনতার কারণে শিশু কিশোররা যে কেবল বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে তাই নয়, সাইবার ক্রাইমের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে অনেকেই। দ্রুত জনপ্রিয়তা পেতে বুদ হচ্ছে টিকটক লাইকিতে। গড়ে তুলছে কিশোর গ্যাং। করছে ভয়ংকর সব অপরাধ।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন যথেচ্ছভাবে স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহার নতুন প্রজন্মকে ঠেলে দিচ্ছে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।

তথ্য প্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন বলেন, প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য তৈরি করা একটি জিনিস অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝে গেলে তারা কি ধরনের আচরণ করবে সে বিষয়ে যদি আমরা না জানি অথবা সেটি যদি তাদের জন্য বন্ধ না করি তাহলে কিন্তু বিপদজনক অবস্থা হতে পারে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানালেন দেশের শিশু-কিশোরদের জন্য অনলাইন দুনিয়া নিরাপদ করতে ‘চাইল্ড সেফটি টুলস’ তৈরিতে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, অভিভাবক ও শিক্ষক যারা আছেন তারা যাতে স্কুল কলেজের জন্য সেই ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে। তাদের সন্তান এবং আমাদের সন্তানরা যাতে নিরাপদ থাকে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধ ঠেকাতে শিগগিরই হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হবে বলেও জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।


আরও পড়ুন

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.